শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫  |   ৩০ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাইমচরে মাটি বোঝাই বাল্কহেডসহ আটক ৯
  •   কচুয়ায় কৃষিজমির মাটি বিক্রি করার দায়ে ড্রেজার, ভেকু ও ট্রাক্টর বিকল
  •   কচুয়ায় খেলতে গিয়ে আগুনে ঝলসে গেছে শিশু সামিয়া
  •   কচুয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে যুবক শ্রীঘরে
  •   ১ হাজার ২৯৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৪, ০০:০০

কারেন্ট জাল ফ্যাক্টরী বন্ধের কঠিন কাজটি এবার করা হোক

অনলাইন ডেস্ক
কারেন্ট জাল ফ্যাক্টরী বন্ধের কঠিন কাজটি এবার করা হোক

‘চান্দ্রা বাজারে কারেন্ট জালের ব্যবসা জমজমাট’--এটা গতকাল চাঁদপুর কণ্ঠের প্রথম পৃষ্ঠায় প্রকাশিত সংবাদের একটি শিরোনাম। কারেন্ট জাল নিয়ে নানা সংবাদ সারা বছর জুড়েই শুধু চাঁদপুর কণ্ঠ নয়, চাঁদপুরসহ দেশের অন্যান্য গণমাধ্যমে প্রায়শই প্রকাশিত হয়। তবে বর্ষার ভরা মৌসুমে বেশি প্রকাশিত হয়। সব সংবাদ নিয়ে আলোচনা সম্ভব নয়। তবে গতকাল চাঁদপুর কণ্ঠে এস কে জিয়া যে সংবাদটি পরিবেশন করেছেন, সেটি নিয়ে আলোচনা করা যাক।

সংবাদটিতে লিখা হয়েছে, ফরিদগঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা বাজারে কারেন্ট জালের ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠেছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথে এক শ্রেণির জেলে নদী, খাল ও বিলে কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকারের জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এ সুযোগে চান্দ্রা বাজারের সুতা ও বিভিন্ন জাল বিক্রেতা সকল ব্যবসায়ী নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি করে থাকে। এ বাজারে প্রতিদিন ২০/৩০ পাউন্ড কারেন্ট জাল বিক্রি হয়ে থাকে। ‘বাজারে কারেন্ট জাল নিষিদ্ধ, পাওয়া যায় না’ বলে বেশি দামে বিক্রি করে থাকে বিক্রেতারা। একদিকে কারেন্ট জাল নিষিদ্ধ অপরদিকে সুযোগ বুঝে বেশি দামে জাল বিক্রি করে থাকে বাজারের ব্যবসায়ীরা। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন ক'জন বলেন, বর্ষা মৌসুম চলে আসায় খাল, বিল ও ডোবাগুলো পানিতে ভরপুর হয়ে গেছে। এতে কিছু মাছ শিকারী চান্দ্রা বাজার থেকে কারেন্ট জাল ক্রয় করে নিয়ে মাছ শিকার করে। এসব কারেন্ট জাল চান্দ্রা বাজারের জাল বিক্রেতারা চাঁদপুর শহরের পুরাণবাজার থেকে ক্রয় করে এনে বিক্রি করে।

কারেন্ট জাল বিক্রি নিষিদ্ধ থাকলেও কারখানাগুলো সিলগাল করে বন্ধ করা হয়নি। এই কারখানাগুলো বন্ধ করে দেয়া না হলে দেশীয় প্রজাতির সুস্বাদু মাছগুলো ক্রমশ বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে পর্যবেক্ষকগণ মনে করছেন। শুধু কি তা-ই? আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশের উৎপাদন হ্রাসের পেছনে এই কারেন্ট জালের বিরাট ভূমিকা রয়েছে। ইলিশের পোনা, জাটকা (কিশোর) ইলিশকে ছেঁকে ছেঁকে নদী থেকে ধরার মোক্ষম উপকরণ হিসেবে অসাধু জেলেরা এই কারেন্ট জালকেই সর্বাধিক ব্যবহার করে। এটা নিয়ে জেলে নেতা, অভিজ্ঞজন ও পর্যবেক্ষকরা বারবার কথা বললেও বিগত দিনের রাজনৈতিক সরকারগুলো কারেন্ট জাল নিষিদ্ধের বিষয়টিতে অটল থেকে ধরপাকড় করে, তবে কারেন্ট জালের ফ্যাক্টরী বন্ধে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয় নি, যেটি বরাবরই রহস্যজনক। বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক সরকার নেই, আছে অন্তর্বর্তী সরকার, যারা ইতোমধ্যে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আশা করি কারেন্ট জালের ফ্যাক্টরী বন্ধ ও ধ্বংসে কঠিন থেকে কঠিনতর ব্যবস্থা নিয়ে জাতীয় মাছ ইলিশ সহ দেশীয় প্রজাতির সকল সুস্বাদু মাছ রক্ষা করবেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়