প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:২৯
ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ‘গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনি’

ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের (ডিটিআই) শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অর্জন ও সাফল্য উদযাপনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটে গ্র্যাজুয়েশন উদযাপন ২০২৬’। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাজধানীর ড্যাফোডিল প্লাজার ৭১ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ফরিদা ইয়াসমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (বিটিইবি) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনয়িার মো. রুহুল আমিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবুল কালাম আজাদ ও ড্যাফোডিল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।
|আরো খবর
ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটের (ডিটিআই) ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেন রুবেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (শিল্পখাত ও প্রশিক্ষণ সমন্বয়) ইঞ্জিনিয়ার মো. আলাউদ্দিন, ড্যাফোডিল গ্রুপের বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ ইন্সটিটিউশনসমূহের নির্বাহী পরিচালক রথীন্দ্র নাথ দাস ।
এবারের গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনিতে ১৫০জন ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে মেধা তালিকায় সেরা ২০জনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে গোল্ড মেডেল এবং ১জনকে চেয়ারম্যান অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয় ও ২জন শিক্ষার্থীকে সফল এলামনাই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথি ফরিদা ইয়াসমিন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনির মধ্য দিয়ে শেষ হলো আপনাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। এখন আপনাদের অর্জিত শিক্ষা দেশ ও দশের কল্যাণে কাজে লাগানোর পালা। আপনাদের অর্জিত শিক্ষা সমাজ ও দেশের কোনো কাজে না আসলে সেটা হবে একটা অনেক বড় অন্যায় এবং আপনাদের বাবা-মা, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টার একটা বিরাট অপচয়। সুতরাং আজ আপনারা প্রতিজ্ঞা করুন, আপনারা যা পেয়েছেন, তার বহুগুণ দেশকে ফিরিয়ে দেবার চেষ্টা করবেন, দেশকে ভালবাসবেন, দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবেন। সেই সাথে নতুন বাংলাদেশ গঠনেও অবদান রাখবেন। আর তা সম্ভব কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতার উন্নয়নের মাধ্যমে। তিনি বলেন, কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নের মাধ্যমে কোনো দেশ যে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছতে পারে তার উদাহরণ হচ্ছে চীন।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে দক্ষতার বাংলাদেশ। এ মূহূর্তে দেশে এবং বিদেশে বিশেষ করে জাপানে প্রচুর কারিগরি দক্ষ লোকের চাহিদা রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা জাতি হিসেবে সৌভাগ্যবান যে, আমাদের ৬৫% ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রচুর দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে এ চাহিদা মেটাতে পারি।
ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট শিক্ষা ব্যবস্থায় উদ্ভাবনকে অনুঘটক মনে করেছে এবং এর একাডেমিক সিস্টেমের সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর নিশ্চিত করেছে। আমরা আধুনিক ফ্ল্যাগশিপ ইন্সটিটিউট হিসেবে বিকাশের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি, অ্যাক্সেস এবং ইক্যুইটির প্রতি নিষ্ঠার সাথে কাজ করছে এ প্রতিষ্ঠান এবং উল্লেখযোগ্যভাবে শিক্ষাদান, শেখার, গবেষণার মান এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক আর্থ-সামাজিক চাহিদা মেটাতে কাজ করে যাচ্ছে এ প্রতিষ্ঠান। তিনি আরও বলেন, একটি জেড জেনারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সহায়তামূলক পরিষেবা এবং সুবিধাগুলিতে অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে আমরা একটি ব্যাপক শিক্ষামূলক ইকো সিস্টেম তৈরি করার চেষ্টা করছি।
ক্যাপশনঃ ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট আয়োজিত 'ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউটে গ্র্যাজুয়েশন উদযাপন ২০২৬' অনুষ্ঠানে মেরিট গোল্ড এওয়ার্ডপ্রাপ্তদের সাথে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রুহুল আমিন, ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান ও ড্যাফোডিল পরিবারের বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্ত ইন্সটিটিউশনসমূহের নির্বাহী পরিচালক রথীন্দ্র নাথ দাস প্রমুখ।








