প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২১, ০০:০০
শামিম পাটোয়ারী আমার চাইতে এক বছর আগে ২০১১ সালে চাঁদপুর ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমিতে ভর্তি হয়েছিলো। কিন্তু আমরা একসাথেই পরের বছর চাঁদপুর জেলা অনূর্ধ্ব-১৪ দলে খেলেছি। আমরা দুজন একসাথেই চট্টগ্রাম বিভাগীয় দলে ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাই। আমাদের ওই খেলার ভেন্যু ছিলো ময়মনসিংহে। এর পরের বছরও আমরা একসাথে অনূর্ধ্ব ১৪ এবং অনূর্ধ্ব ১৬ চাঁদপুর জেলা দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছি। কথাগুলো বললেন ওর সাথে চলা দীর্ঘদিনের বন্ধু, চাঁদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার বয়সভিত্তিক ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়, চাঁদপুর শহরের চেয়ারম্যানঘাট এলাকার বাসিন্দা আল-রাহাত সাকিব।
সাকিব বলেন, ওর সাথে আমার বেশকিছু সুখ স্মৃতি আছে। যেহেতু আমি অফ স্পিন করতাম, তাই ওকে চ্যালেঞ্জ দিতাম আউট করার, কিন্তু সত্যিকার অর্থে ওকে কোনোদিনই আউট করতে পারতাম না। একদিন আমি আর ও একসাথে মিরপুর স্টেডিয়ামে গ্যালারিতে বসে বাংলাদেশ এবং শ্রীলংকার খেলা দেখেছিলাম। স্টেডিয়ামেই সেদিন আমি ওকে বলেছিলাম, একদিন আমি এখানে বসে তোর খেলা দেখব, তুই মাঠে খেলবি। আজ সেটা সত্যি হয়েছে যেটা আমার জন্য অনেক আনন্দের। বন্ধু হিসেবে আমি তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি। আমি তাকে আরো উপরে দেখতে চাই। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে অভিষেক হয়েছে জিম্বাবুয়ে সফরে টি-২০ দলে শামিমের। আমি তো একজন ক্রিকেটার হিসেবে বলতে চাই, বাংলাদেশ দলের সকল ফরমেটেই ওর খেলার মতো যোগত্যা রয়েছে। বন্ধুর অভিষেক ম্যাচটি সহ একই দলের সাথে সিরিজ জয়ী ম্যাচে যেই খেলাটি উপহার দিয়েছে তা সত্যিই অনেক আনন্দের।
সাকিবের বিশ্বাস, আমাদের শামিম পাটোয়ারী আশা করি অস্ট্রেলিয়ার সাথেও ভালো কিছু করবে। দীর্ঘদিন ধরে ওর সাথে চলেছি। ওর খেলার প্রতি আলাদা একটি মন রয়েছে। চাঁদপুর আসলে আমি সহ অনেক স্থানেই মোটর বাইকে ঘুরতাম। আমি চাই অস্ট্রেলিয়ার সাথে ভালো খেলা উপহার দিয়ে ওয়ানডে সহ বাংলাদেশের সকল ফরমেটেই যেনো তার সাবলীল খেলা দিয়ে দেশকে ভালো কিছু উপহার দিতে পারে। আর আমরা ছোটকাল থেকেই বন্ধু হিসেবে চলেছি, আমাদের এ বন্ধুত্ব সবসময়ই থাকবে।