বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচন : সম্ভাব্য প্রার্থীর মুখোমুখি--৫৪

আমি নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডের নদীভাঙন রোধে স্থায়ীভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেবো

চাঁদপুর কন্ঠ রিপোর্ট
আমি নির্বাচিত হলে ওয়ার্ডের নদীভাঙন রোধে স্থায়ীভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেবো

‘আমি নির্বাচিত হলে আমার ওয়ার্ডকে ডাকাতিয়া নদীর ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে স্থায়ীভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এলাকাকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলবো। এছাড়া ওয়ার্ডের অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করাই হবে আমার অগ্রাধিকার।'

কথাগুলো বলেছেন চাঁদপুর সদর উপজেলার ৮নং বাগাদী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য ইউপি সদস্য (মেম্বার) প্রার্থী মো. টিপু খান। নিচে তাঁর সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হলো। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছেন সোহাঈদ খান জিয়া।

চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনি কেনো ইউপি সদস্য (মেম্বার) পদে নির্বাচন করতে চান? আপনার পরিচিতি সম্পর্কে কিছু বলুন।

টিপু খান : আমি মো. টিপু খান। আমার পিতা মরহুম আব্দুল ওহাব মেম্বার। আমার বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার ৮নং বাগাদী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের নিজ গাছতলা গ্রামে। আমি একজন ব্যবসায়ী, পাশাপাশি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমার ওয়ার্ডের অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়েই ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করতে চাই। নির্বাচিত হলে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

চাঁদপুর কণ্ঠ : নির্বাচিত হলে আপনার ওয়ার্ডের জন্য প্রথম তিনটি অগ্রাধিকারমূলক কাজ কী হবে?

টিপু খান : নির্বাচিত হলে আমার প্রথম অগ্রাধিকার হবে আমার ওয়ার্ডকে ডাকাতিয়া নদীর ভাঙন থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষা করার চেষ্টা চালানো। এরপর এলাকাকে দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলা এবং অসহায় মানুষের পাশে থেকে সমাজসেবামূলক কাজ করা।

চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা কী? তা সমাধানে আপনার পরিকল্পনা কী?

টিপু খান : আমার ওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ডাকাতিয়া নদীর ভাঙন। দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতিয়া নদীর ভাঙনে বহু মানুষের ঘরবাড়ি, কবরস্থান ও চাষাবাদের জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। আমি নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাট সংস্কারের পাশাপাশি নদীভাঙন প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের চেষ্টা করবো।

চাঁদপুর কণ্ঠ : ভোটাররা কেনো অন্য প্রার্থীদের বাদ দিয়ে আপনাকেই ভোট দেবেন বলে আপনি মনে করেন?

মো. টিপু খান : জনসেবা করতে আমার ভালো লাগে। জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী গরিব ও অসহায় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি, তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আগামী দিনগুলোতেও পাশে থাকার চেষ্টা করবো। আমি বিশ্বাস করি, আমার এই আন্তরিকতা ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের মূল্যায়ন করে ভোটাররা আমাকে তাঁদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবেন। আমার পিতাও একই ওয়ার্ডের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছিলেন। আমার পিতার সততাকে কাজে লাগিয়ে ও তাঁর আদর্শকে অনুসরণ করে আমি প্রার্থী হবো।

চাঁদপুর কণ্ঠ : উপরের প্রশ্নগুলোর বাইরে আপনার আর কোনো বক্তব্য থাকলে বলতে পারেন।

মো. টিপু খান : অতিরিক্ত কোনো বক্তব্য নেই। আমার সাক্ষাৎকার প্রকাশের সুযোগ দেয়ায় ‘চাঁদপুর কণ্ঠ’কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

ডিসিকে/ এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়