বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১২ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫১

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসকের অবস্থা যদি এমন হয়-

অনলাইন ডেস্ক
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসকের অবস্থা যদি এমন হয়-

হাসপাতাল মানুষের কাছে আস্থার শেষ আশ্রয়। আর সেই হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসকের কক্ষ থেকেই যদি ইয়াবা ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার হয়, তাহলে বিষয়টি নিছক একজন ব্যক্তির অপরাধের অভিযোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই-এটি আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও সামাজিক মূল্যবোধের জন্যও গভীর উদ্বেগের বার্তা।

কচুয়ার সিটি হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ এক আবাসিক চিকিৎসককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চাঁদপুর জেলা কার্যালয় প্রশংসার দাবিদার। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রমাণ করে-মাদকের বিরুদ্ধে আইনের প্রয়োগে পেশা বা পরিচয় কোনো ব্যক্তিকে দায়মুক্তি দিতে পারে না।

চিকিৎসক সমাজের প্রতি মানুষের আস্থা অত্যন্ত গভীর। তাই একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠলে তদন্ত ও বিচার হতে হবে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ এবং আইনের বিধান অনুযায়ী। একই সঙ্গে অভিযোগটি সত্য প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। কারণ মাদক শুধু একজন মানুষের জীবন নষ্ট করে না; এর প্রভাব পড়ে পরিবার, প্রতিষ্ঠান এবং বৃহত্তর সমাজের ওপর।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এমন অভিযান অব্যাহত থাকুক। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা অন্য কোনো কর্মস্থল-মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান হোক পরিচয়-নির্বিশেষে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজন সচেতনতা, প্রতিরোধ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর নজরদারি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়