প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭:৩৪
কচুয়ায় মাঠের ভোটযুদ্ধে ছয় প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে প্রতীক বরাদ্দের পরপর নির্বাচনী মাঠের ভোটযুদ্ধে নেমে পড়েছেন ছয়জন প্রার্থী।
কচুয়ার এ আসনটি ১২ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এখানে মোট ৩ লাখ ৫২ হাজার ৫ শ’ ৮০ জন ভোটার রয়েছেন। এ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১১০ টি। তন্মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ১১ টি।
কচুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হক জানান, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে। ভোটগ্রহণ শুরু থেকে ফলাফল গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশের বিশেষ টিম দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও নির্বাচনে নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠীর বিষয়ে নিয়মিত আমাদের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
আসনটিতে জয়লাভ করতে মরিয়া বিএনপি'র প্রার্থী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন ও ১০ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী। এ আসনে বিগত ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে দুবার বিজয়ী হয়েছেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার এ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী তিনিই। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আবু নছর আশরাফী।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রার্থীরা বিভিন্ন পথসভা ও মিছিলের মাধ্যমে গণসংযোগ করছেন।বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসলে পূর্বের ন্যায় কচুয়ার উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।
জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মুহাদ্দিস আবু নছর আশরাফী বলেন, জনগণের অধিকার ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য। যদি জনগণ আমাদের ওপরে আস্থা রাখে, আমরা পরিবর্তনের রাজনীতি দেখাবো।
এ দুজন ছাড়াও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হাবিব খান, গণ-অধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, গণফোরামের উদীয়মান সূর্য প্রতীকের প্রার্থী মো. আজাদ নির্বাচনী মাঠে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।








