প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪১
চাঁদপুর-৫ আসনে নতুন চমক নেয়ামুল বশির
জামায়াতের নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা

গণঅভ্যুত্থানে বিগত সরকার প্রধান পালিয়ে যাওয়ার পর চাঁদপুর-৫ (শাহরাস্তি-হাজীগঞ্জ) আসন থেকে সর্বপ্রথম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী ঘোষণা দেয়। জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের ২০২৪ সালে হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তিতে জামায়াতের কর্মী সমাবেশে দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক মাওলানা আবুল হোসাইনকে পরিচয় করিয়ে দেন। সেই থেকে পাড়া-মহল্লায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়ে ব্যাপক গণসংযোগ করেন মাওলানা আবুল হোসাইন। এদিকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে দলকে সুসংগঠিত করেছেন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক। সেজন্যে বর্তমানে বিএনপি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার জন্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নামার আগ মুহূর্তে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। হঠাৎ করেই জামায়াতের নেতাকর্মীদের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। স্যোশাল মিডিয়াতে এ নিয়ে নানামুখী আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার) রাতে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপির মহাসচিব ড. নেয়ামুল বশিরের মনোনয়ন প্রাপ্তির সংবাদ চারদিকে ছড়িয়ে পড়তেই জামায়াতের নেতাকর্মীদের মাঝে হাহাকার সৃষ্টি হয়। খবরটি নিশ্চিত হলেও বিশ্বাস করতে অনেকেরই দ্বিধা দ্বন্দ্বে পড়তে হয়েছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন বঞ্চিত জামায়াত নেতা মাওলানা আবুল হোসাইন রাতেই ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন। এ বিষয়ে তাঁর মতামত জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই জানান, আমরা হাল ছাড়িনি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর জানানো হবে। বেশ ক'জন জানান, চাঁদপুর-৫ আসনে ড. নেয়ামুল বশিরকে গণসংযোগ করতে দেখা যায়নি, এমনকি শাহরাস্তি -হাজীগঞ্জ উপজেলায় এলডিপির কোনো কমিটি ও তৎপরতা ইতোমধ্যে দেখা যায়নি। সেজন্যে জোটের মনোনয়ন নিয়ে এলাকায় আসলে তাঁকে অনেক বেগ পোহাতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।








