বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২০:৩২

প্যাপিরাস পাঠাগারের পক্ষ থেকে ৪ শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।
প্যাপিরাস পাঠাগারের পক্ষ থেকে ৪ শিক্ষার্থীকে স্কুলব্যাগ উপহার

পড়াশোনায় উৎসাহ বাড়াতে ৪ জন শিক্ষার্থীকে স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ উপহার দিয়েছে প্যাপিরাস পাঠাগার। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যায় চাঁদপুর শহরের চাঁদ টাওয়ারস্থ পাঠাগার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে স্কুলব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ তুলে দেয়া হয়।

পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক আইরিন সুলতানা লিমার সভাপতিত্বে ও প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী চাঁদপুর জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন বাবর, চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির সভাপতি আয়েশা আক্তার রুপা, খেলাঘরের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির কাঞ্চন, পাঠাগারের প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপন, উপদেষ্টা দিলীপ ঘোষ, নির্বাহী নাজমুল ইসলাম, ভাসানী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংঘের কর্ণধার সাইফুল খান রাজীব ও সাহিত্যানুরাগী নাসরীন ইসলাম নিপা।

এ বছর স্কুলব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ পেয়েছে মেধাবী শিক্ষার্থী জিহাদ ইসলাম, আয়মান, মুসকান ও খাদিজা আক্তার মারজান।

পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, শিক্ষাজীবনের প্রথম ধাপে স্কুলব্যাগ একটি আবেগের জায়গা। সকল শিক্ষার্থীই চায় সুন্দর একটি ব্যাগে বই নিয়ে বিদ্যালয়ে ছুটে যেতে। কিন্তু সবার সে সাধ্য হয় না। আমার বেলায়ও তা-ই হয়েছে। আমার জীবনে আমি কখনও স্কুলব্যাগ কিনতে পারিনি। ক্লাসের অনেক বন্ধুর কাঁধে ব্যাগ দেখে মাঝেমধ্যে মন খারাপ লাগতো। সাধারণ ঘরের মানুষ ছিলাম। তাই শখের কথা কারো কাছে বলতে সাহস করিনি। কলমের ভেতর সুতো ঢুকিয়ে স্কুলে বই নিয়ে যেতাম। এভাবেই ব্যাগের সাধ মিটিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই শিক্ষাক্ষেত্র সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হোক। শিক্ষার হার বাড়ানোর চেয়ে শিক্ষার মান বাড়ানো বেশি জরুরি। সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে সবার আগে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। শুধু স্কুলব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ প্রদানই নয়, গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার প্যাপিরাস পাঠাগার থেকে ২জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি-২০২৬ প্রদান করে নতুন ক্লাসে ভর্তির হওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, শিক্ষা প্রণোদনা দিয়ে মেধাবীদের মূল্যায়ন করা হলে সুশিক্ষিত একটি জাতি গঠনের স্বপ্ন নিয়ে দেশটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে তারা।

সভাপ্রধান আইরিন সুলতানা লিমা বলেন, স্কুলব্যাগ উপহার দিয়ে আমরা যাদের উৎসাহিত করেছি, একদিন তারাও অন্যদের ব্যাগ উপহার দিয়ে উৎসাহিত করবে।

সবশেষে চা-চক্রের আয়োজন করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়