প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:৩৮
বাস ভাড়া নির্ধারণে মালিকদের কাছে নতিস্বীকার না করায় যাত্রী কল্যাণ সমিতির অভিনন্দন

ঢাকা : ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার ২০২৬।
ভাড়া নির্ধারণে বাস মালিকদের জনবিরোধী দাবির কাছে নতিস্বীকার না করে দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থ প্রাধিকার দেওয়ায় বিএনপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
২৩ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্পতিবার বিকেলে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এক বার্তায় সরকারের কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, বাড়তি বাস ভাড়া আদায় বন্ধে অনুরূপ দৃঢ় প্রতিজ্ঞা কামনা করেন।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির বার্তায় বলা হয়, ডিজেলের মূল্য মাত্র একটাকা বাড়লেও নানান খাতে অযৌক্তিক হিসাব ধরে ভুয়া ব্যয় বিশ্লেষণ করে বাস মালিক সমিতি ৬৪ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধির নানাভাবে পাঁয়তারা করে সরকারকে চাপ দিতে থাকে।
উল্লেখ্য যে, ২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের মূল্য একলাফে ৩৪ টাকা বৃদ্ধি করে ১১৪ টাকা করায় তখন বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ৪০ পয়সা বা ২২ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। সেই বর্ধিত ১১৪ টাকা লিটারের ডিজেলের মূল্য কয়েক দফায় কমতে কমতে ১০০ টাকা আসলে সরকার তিনদফায় ৮ পয়সা বাস ভাড়া কমালেও কোনো বাসে কমানো ভাড়ার সুবিধা পায়নি দেশের যাত্রী সাধারণ। এই কমানো ভাড়ার সুফল যাত্রীরা পাচ্ছে কিনা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার তদারকি ছিলো না। এবার ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয় অর্থাৎ ১ টাকা বাড়ানোর কারণে সরকার ডিটিসিএ এলাকার বাসে ৪.৭৪ শতাংশ, দুরপাল্লার বাসে ৫.১৯ শতাংশ, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সিটি বাসে ৪.৪৫ শতাংশ ভাড়া বাড়ালেন। অতীতে সরকার বাস মালিকদের খুশি রাখতে নানান অজুহাতে দফায় দফায় ভাড়া বাড়িয়ে দিলেও বাস মালিকেরা সরকারের বেঁধে দেওয়া ভাড়ার কয়েক গুণ বেশি ভাড়া আদায় করে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী সরকারকে সতর্ক করে বলেন, যেহেতু বাস ভাড়া নির্ধারণ কমিটি, আঞ্চলিক পরিবহন কমিটিসহ পরিবহন পরিচালনার সরকারি সবকটি কমিটি বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের নিয়ন্ত্রণে, সেহেতু বাড়তি বাস ভাড়ার তালিকা তৈরিতে জালিয়াতি, বিভিন্ন রুটে কিলোমিটার বেশি দেখানো, গুরুত্বপূর্ণ উঠানামা পয়েন্টে স্টপেজ না দেখিয়ে সর্বশেষ গন্তব্যের ভাড়া আদায়ের নামে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অপকৌশল নিতে পারে বাস মালিকেরা এমন শঙ্কা প্রকাশ করে তাদের অপকৌশল বন্ধের দাবি জানান। একই সাথে সিএনজিচালিত বাসে ডিজেল চালিত বাসের হারে বর্ধিত ভাড়া আদায় বন্ধ করার দাবি জানান তিনি।








