মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:২১

বাগাদীতে চাঁদপুর গ্রামে আগুনে পুড়লো বসতঘর

সোহাঈদ খান জিয়া।।
বাগাদীতে চাঁদপুর গ্রামে আগুনে পুড়লো বসতঘর

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৮ নম্বর বাগাদী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁদপুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ওই গ্রামের হাওলাদার বাড়ির প্রবাসী ওসমান হাওলাদারের বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে ওসমান হাওলাদারের বসতঘরের সবকিছু পুড়ে যায়। এতে নগদ ২ লাখ টাকাসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় ভাগ্যক্রমে ওসমান হাওলাদারের স্ত্রী ও ছেলে প্রাণে বেঁচে যান।

ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৩১ আগস্ট ২০২৬) দিবাগত রাত প্রায় দেড়টার দিকে। খবর পেয়ে চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিস ও চাঁদপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা চালিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ওসমান হাওলাদারের স্ত্রী জুলেখা বেগম তার একমাত্র সন্তান জোবায়েরকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। হঠাৎ ঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে জুলেখা চিৎকার করে ঘর থেকে বেরিয়ে যান। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসেন এবং আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে ততক্ষণে পুরো ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ বিষয়ে জুলেখা বেগম বলেন, "আমি আমার ছেলেকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ গরম অনুভব হলে ঘুম ভেঙে যায়। তখন দেখি ঘরের ভেতরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি চিৎকার দিয়ে কোনোমতে সন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আসি। আগুনে আমার সব পুড়ে গেছে, আমার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। ঘরে বিদেশ থেকে আমার স্বামীর পাঠানো নগদ ২ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। কীভাবে আগুন লেগেছে তা আমি জানি না। সবকিছু শেষ হয়ে গেলেও মা-ছেলেকে এখনো আল্লাহ বাঁচিয়ে রেখেছেন।"

বাড়ির লোকজন জানান, "কীভাবে আগুন লেগেছে তা আমরা জানি না; আমরা সবাই ঘুমিয়ে ছিলাম। চিৎকার শুনে আমরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও তার আগেই সবকিছু পুড়ে যায়।"

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়