বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ২৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৪১

মাদ্রাসা রোডে গ্রিল কেটে ১০ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণ চুরি!

দুই মাসেও অগ্রগতি নেই মামলার।। ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী

চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
দুই মাসেও অগ্রগতি নেই মামলার।। ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী
ছবি : প্রতীকী

চাঁদপুর শহরের মাদ্রাসা রোড এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে নগদ ১০ লাখ টাকা ও ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরির ঘটনার ২ মাস পেরিয়ে গেলেও মামলার তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। মামলার বাদীর অভিযোগ, ঘটনার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলেও ৩৮ দিন পর মামলা নেয়া হয়। পরে তদন্তে সহায়তার জন্যে তথ্য-প্রমাণ ও সন্দেহভাজন কয়েকজনের নাম দিলেও এখন পর্যন্ত কাউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। তবে পুলিশ বলছে, তদন্ত অব্যাহত রয়েছে

এজাহার ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে চাঁদপুর শহরের মাদ্রাসা রোডের মুন্সীবাড়ি সংলগ্ন মো. দেলোয়ার হোসেনের ভাড়া বাসায় চুরির ঘটনা ঘটে। ওইদিন সন্ধ্যা ৬টায় তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদুল আজহার কেনাকাটার জন্যে বাইরে যান। রাত প্রায় ৮টার দিকে বাসায় ফিরে দেখেন, বাসার পেছনের জানালার গ্রিল কাটা। ঘরের আলমারি ও ওয়ারড্রোবের তালা ভেঙে নগদ ১০ লাখ টাকা, ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং অন্যান্য মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায় চোরচক্র।

ঘটনার পরদিন ১৯ মে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন দেলোয়ার হোসেন। পরে ২৬ জুন ২০২৬ দণ্ডবিধির ৪৫৭/৩৮০ ধারায় মামলা রুজু হয়।

ভুক্তভোগী মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, জিডি করার পর দীর্ঘদিন থানায় ঘুরেছি। পরে পুলিশই মামলা করতে বলে। মামলা হওয়ার পরও প্রায় দুই মাস পার হয়ে গেছে। চোর শনাক্তে কিছু তথ্য-প্রমাণ আমি নিজেই সংগ্রহ করে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দিয়েছি। ক'জন সন্দেহভাজনের নামও জানিয়েছি। কিন্তু তাদের কাউকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। প্রতিবার থানায় গেলে শুধু আশ্বাস পাই। আমি চুরি হওয়া টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেপ্তার চাই।

এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ প্রসঙ্গে ওসি বলেন, পুলিশ আন্তরিকভাবে তদন্ত করছে। বাদী যদি মনে করেন পুলিশ কাজ করছে না বা অসহযোগিতা করছে, তাহলে তিনি আদালতের মাধ্যমেও মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন।

চাঞ্চল্যকর এ চুরির ঘটনায় দীর্ঘ সময়েও কোনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় ভুক্তভোগীর পাশাপাশি স্থানীয়দের মধ্যেও হতাশা দেখা দিয়েছে। মামলার বাদীর দাবি, দ্রুত তদন্ত শেষ করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি চুরি হওয়া অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হোক।

ডিসিকে /এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়