শনিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৫  |   ২৭ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাইমচরে মাটি বোঝাই বাল্কহেডসহ আটক ৯
  •   কচুয়ায় কৃষিজমির মাটি বিক্রি করার দায়ে ড্রেজার, ভেকু ও ট্রাক্টর বিকল
  •   কচুয়ায় খেলতে গিয়ে আগুনে ঝলসে গেছে শিশু সামিয়া
  •   কচুয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে যুবক শ্রীঘরে
  •   ১ হাজার ২৯৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

প্রকাশ : ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১:১০

নামাজী-রোজাদার শিশু-কিশোরদের পুরস্কৃত করলেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার

স্টাফ রিপোর্টার।।
নামাজী-রোজাদার  শিশু-কিশোরদের পুরস্কৃত করলেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার
নামাজ-রোজায় অনুপ্রেরণা প্রদানে শিশু-কিশোরদের পুরস্কৃত করছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন ও পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রকিব উদ্দিন, পিপিএম।

চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের দামোদরদী গ্রামের মিয়া বাড়ি জামে মসজিদে এক অনুপ্রেরণামূলক উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, মাহে রমজানের রোজা ও ২০ রাকাত তারাবীহ নামাজ আদায়কারী শিশু-কিশোরদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। ঈদুল ফিতরের পরবর্তী শাওয়াল মাসের প্রথম জুমায় (৪ এপ্রিল ২০২৫) এ পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এই ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগের পেছনে রয়েছেন মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আবদুর রহমান গাজী ও সহকারী ইমাম হাফেজ ইউসুফ আহমদ। তাদের ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে এবং উৎসাহে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, শিশু-কিশোরদের ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ করতে সকলেরই এগিয়ে আসা উচিত। আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ছোট বেলা থেকেই একটি আদর্শে অনুপ্রাণিত হলে দেশপ্রেমিকের কমতি থাকবে না। তিনি আরো বলেন, ইমামগণ সমাজের নেতা। তারা ধর্মীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। আর সে সাথে যদি হয় রাষ্ট্রের কল্যাণে উদ্বুদ্ধকরণ এবং শান্তি শৃঙ্খলার আলোচনা, সেটি হয় আরো মাইলফলক। আমরা অনেক সময় দেখি ইমাম সাহেবের বক্তব্য শুনে বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে অনেকেই মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে। কিন্তু সে ঘটনা কী ইস্যু নিয়ে ওটা মিছিলে নেতৃত্বদানকারীও জানে না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রকিব উদ্দিন পিপিএম। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, শিশু-কিশোরদের প্রতি যত্নবান হতে হবে। তারা কোমলমতি। তারা অনেক সময় না বুঝে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত হয়। পরে কিশোর গ্যাংয়ে রূপ নেয়। এমনটি যেন না হয়।

পরে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার শিশু-কিশোরদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং তাদের এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখার আহ্বান জানান।

দামোদরদী গ্রামের শিশু-কিশোরদের মধ্যে তিন জনকে নির্বাচিত করা হয়। প্রথম হয়েছে মো. বায়জিদ খান, দ্বিতীয় মো. শামীম খান ও তৃতীয় মো. জুবায়ের খান। তাদের নগদ টাকা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। জুমার নামাজে ওইদিন আমিরাবাদ গোলাম কিবরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আগত সাবেক ছাত্র ও সাবেক শিক্ষকসহ সহস্রাধিক মুসল্লি অংশ নেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়