শনিবার, ০১ মার্চ, ২০২৫  |   ২৪ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাইমচরে মাটি বোঝাই বাল্কহেডসহ আটক ৯
  •   কচুয়ায় কৃষিজমির মাটি বিক্রি করার দায়ে ড্রেজার, ভেকু ও ট্রাক্টর বিকল
  •   কচুয়ায় খেলতে গিয়ে আগুনে ঝলসে গেছে শিশু সামিয়া
  •   কচুয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে যুবক শ্রীঘরে
  •   ১ হাজার ২৯৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০০:০০

প্রাণের বিদ্যাপীঠের ৭৫ বছরপূর্তিতে অংশ না নিতে পারার আক্ষেপ আমাকে ভোগাবে
আলআমিন হোসাইন ॥

মোকসেদুর রহমান সেলিম আমেরিকা প্রবাসী। তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। প্রাণের কলেজের ৭৫ বছরপূর্তির বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ যতোই ঘনিয়ে আসছে, ততোই বিষাদে ভরে উঠছে তাঁর মন। কেননা পূর্তি অনুষ্ঠানের দিনই তিনি পাড়ি জমাবেন সুদূর আমেরিকা। সম্প্রতি দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে কলেজ জীবনের স্মৃতির পসরা সাজান তিনি। তাঁর উচ্ছ্বাস আর বিষাদের কথাগুলো তুলে ধরা হলো।

চাঁদপুর কণ্ঠ : কত সালে, কোন্ শ্রেণিতে চাঁদপুর সরকারি কলেজে ভর্তি হন?

মোকসেদুর রহমান সেলিম : ১৯৮০-১৯৮১ সেশনে ব্যাচেলর অব সায়েন্স (বিএসসি) বিভাগে চাঁদপুর সরকারি কলেজে ভর্তি হই। আমার বিষয় ছিলো পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিত।

চাঁদপুর কণ্ঠ : সে সময় কলেজের পরিবেশ কেমন ছিলো?

মোকসেদুর রহমান সেলিম : কলেজের পরিবেশ ছিলো মনোরম। সমৃদ্ধ ল্যাবরেটরি ছিলো। বন্ধুবৎসল মেধাবী শিক্ষক আমাদের পাঠদান করতেন।

কলেজে পড়াবস্থায় চাঁদপুর স্পুটনিক সায়েন্স ক্লাব প্রতিষ্ঠা করি। পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতি বছর বিজ্ঞান মেলায় প্রতিনিধিত্ব করতাম। ফলে শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের সাথে ঘনিষ্ঠতা বেড়ে যায়। বিশেষ করে হাসান হায়দার ও প্রফেসর ইউনুস স্যারের সাথে মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠে। রেডিও স্টেশন প্রজেক্ট তৈরি করি। খুবই জনসমাগম ঘটে প্রতিদিন সেখানে। প্রতিফলিত দূরবীন আবিষ্কার করি ও স্বয়ংক্রিয় দোকান। প্রতি বছর বিজ্ঞান মেলায় উদ্ভাবনীমূলক বহু প্রজেক্ট প্রদর্শন করতাম।

চাঁদপুর কণ্ঠ : আপনার প্রিয় শিক্ষক এবং সহপাঠী ছিলেন কারা? তাদের সম্পর্কে কিছু বলুন।

মোকসেদুর রহমান সেলিম : প্রফেসর ইউনুস স্যার, প্রফেসর তাজুল ইসলাম স্যার, প্রফেসর মোজাম্মেল হক স্যার ও প্রফেসর বদিউর রহমান স্যার আমার প্রিয় শিক্ষক ছিলেন। প্রফেসর মতিউর রহমান ও অধ্যক্ষ এ. ডব্লিউ. এম. তোয়াহা মিয়া স্যারের সাথে সুসম্পর্ক ছিলো।

নায়েমের সাবেক মহাপরিচালক ড. লোকমান হোসেন, শাহাদাত হোসেন, আবুল কাশেম ও মনির হোসেন আমার সহপাঠী।

চাঁদপুর কণ্ঠ : কলেজের ৭৫ বছরপূর্তিতে আপনার অনুভূতি জানতে চাই।

মোকসেদুর রহমান সেলিম : প্রাণের বিদ্যাপীঠের ৭৫ বছরপূর্তির খবরে আমি উচ্ছ্বসিত। উদযাপনের প্রথম ঘোষিত তারিখে আমি আমেরিকা যাওয়ার ফ্লাইট বাতিল করি। কিন্তু পরে উদযাপনের তারিখ বাতিল করে চলতি মাসের ২৪ ও ২৫ ফেব্রুয়ারি ঠিক করায় দুর্ভাগ্যবশত আমি উপস্থিত থাকতে পারবো না। কারণ এদিন আমার আমেরিকা যাওয়ার ফ্লাইট। শত চেষ্টা করেও প্রিয় বন্ধুদের সাথে ফেলে আসা দিনগুলোতে ফিরে যেতে পারলাম না। প্রাণের বিদ্যাপীঠের ৭৫ বছরপূর্তিতে অংশ না নিতে পারার আক্ষেপ আমাকে ভোগাবে।

চাঁদপুর কণ্ঠ : কলেজটি নিয়ে আপনার প্রত্যাশা/স্বপ্ন কী?

মোকসেদুর রহমান সেলিম : চাঁদপুর সরকারি কলেজের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বর্ণিল। এ ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকুক।

চাঁদপুর কণ্ঠ : উল্লেখিত প্রশ্নের বাইরে আপনার কোনো কথা থাকলে বলুন।

মোকসেদুর রহমান সেলিম : চাঁদপুর সরকারি কলেজের ৭৫ বছরপূর্তি বড় গৌরবের বিষয়। কলেজ জীবনের স্মৃতি আমার অন্তরে গেঁথে আছে।

উল্লেখ্য, মোকসেদুর রহমান সেলিম ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন চাঁদপুরের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ও চাঁদপুর রোটারী ক্লাবের সাবেক সদস্য।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়