প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২২, ১৯:৪৭
বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজ
বাংলাদেশ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে উড়িয়ে দিল আফগানদের

বাংলাদেশ প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে গেল । রশিদ-নবিদের ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে নাসুম আহমেদের ঘূর্ণিতে আসহায় আত্মসমর্পণ করেছে আফগানরা। ৪ উইকেট নিয়ে আফগানদের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দিয়েছেন এই বাঁহাতি। সঙ্গে শরিফুল ইসলামের ৩ ও সাকিব আল হাসানের ২ উইকেটে ৯৪ রানেই গুটিয়ে গেছে মোহাম্মদ নবির দল।
এর আগে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার সেই সিদ্ধান্তকে যথার্থ প্রমাণ করতে না পারলেও ওয়ান ডাউনে নামা লিটন ছিলেন অনবদ্য। মাত্র ২৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশকে খাঁদের কিনারা থেকে টেনে তোলেন লিটন। ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন সাকিব। মাত্র ৫ রান করে কায়েস আহমেদের শিকার হয়ে ফিরে যান প্যাভিলিয়নে।
এরপর একাই লড়ে গেছেন লিটন। আফিফ হোসেন ছাড়া আর কেউই যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি দারুণ ফর্মে থাকা এই ব্যাটারকে। ১৪তম ওভারে রশিদ খানকে মিড অনে ঠেলে দিয়ে পেয়ে যান ফিফটি। এদিকে প্রথম বল থেকে চার ছক্কা মারার ঘোষণা দিয়েও আজ রান করতে পারেননি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মাত্র ১০ রান করে আউট হয়ে গেছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।
শেষদিকে লিটন-আফিফ পরপর ফিরে গেলে বড় স্কোরের আশা শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের। ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান তুলতে সক্ষম হয় টাইগাররা।
বোলিংয়ে বাংলাদেশকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন বাঁহাতি অফ ব্রেক নাসুম আহমেদ। পাওয়ারপ্লেতে এই তরুণ তুর্কি রীতিমত ভয়ংকর হয়ে ওঠেন আফগান ব্যাটারদের জন্য। তিন ওভার বল করে মাত্র ৭ রানের বিনিময়ে তুলে নেন মূল্যবান ৪টি উইকেট। পঞ্চম উইকেটে নাজিবুল্লাহ জাদরানের সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা চালান অধিনায়ক নবি।
কিন্তু নিজের পরপর দুই ওভারে নবি ও নাজিবুল্লাহ দু’জনকেই তুলে নেন সাকিব। নবিকে আউট করেই পেয়ে যান সাদা বলে নিজের ৪০০তম উইকেট। এরপর ম্যাচ জয়ের শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে যায় আফগানিস্তানের। ১৪তম ওভারে রশিদকে ইয়াসির রাব্বির ক্যাচে পরিণত করেন পেসার শরিফুল। তিন ওভার পর ১৮ বলে ২০ রান করা ওমরজাইকে ফেরান মুস্তাফিজ।
এর পরের ওভারেই কায়েস আহমেদ ও মুজিব-উর রহমানকে আউট করে আফগানদের গুটিয়ে দেন শরিফুল ইসলাম। এদিন ১০০ এর কোঠাও পার করতে পারেনি আফগানিস্তান। অলআউট হওয়ার আগে তারা করতে পেরেছে ৯৪ রান। ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন নাসুম। ফলে ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে।