প্রকাশ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৫৮
চাঁদপুরে ধানের শীষের প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে
বিএনপির সাবেক এমপি রাশেদা বেগম হীরার উদাত্ত আহ্বান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী যথাক্রমে চাঁদপুর-১ আসনে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, চাঁদপুর-২ আসনে ড. মো. জালাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৩ আসনে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৪ আসনে লায়ন হারুনুর রশিদ ও চাঁদপুর-৫ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হককে নির্বাচিত করতে চাঁদপুরের কৃতী সন্তান ও দু বারের সাবেক মহিলা এমপি, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ রাশেদা বেগম হীরা জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেরুয়ারি ২০২৬) এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।
জনা গেছে, বিএনপির সাবেক এমপি রাশেদা বেহম হীরা চাঁদপুরের ৫টি আসনে বিএনপি'র মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। তিনি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান । পথচারী, রিকশাচালক, সিএনজি চালক, দোকানি, ফুটপাতের ক্রেতা- বিক্রেতা, নারী সমাজ ও বিভিন্ন হাট বাজারে আসা সাধারণ ভোটারদের হাতে ধানের শীষের নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ করেন । বিএনপির আহ্বানে ধারাবাহিকভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন।
দু বারের বিএনপির সাবেক মহিলা এমপি আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরা ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিন। ধানের শীষ জিতলে বাংলাদেশ জিতবে। বিএনপি বিগত দিনে সুখে-দুঃখে সর্বদা আপনাদের পাশে ছিলো, আগামীতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ । উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্যে আপনারা বিএনপিকে ভোট দেবেন। ভোট পবিত্র আমানত । দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্যে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। বাংলাদেশ এখন বিএনপি এবং তারেক রহমানের হাতেই নিরাপদ।
জানা যায়, আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরাকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী আসন ঢাকা-১৭ আসনে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণের সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করা হয়েছে।
জানা গেছে, আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরার পৈত্রিক বাড়ি চাঁদপুর জেলায় সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের আলগী গ্রামে। তিনি ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও ১৯৯০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন ১৯৭৯ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন তিনি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসুন্নাহার হলের ভি.পি. ও জি.এস. পদে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ছাত্রনেত্রী হিসেবে তিনি ১৯৮১ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সাথে রাষ্ট্রীয় সফরে নেপাল ভ্রমণ করেন এবং টেলেন্ট স্টুডেন্ট হিসেবে তিনি হিজবুল বাহার সফর ও বঙ্গবভবনে আমন্ত্রিত হন।
১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় যেমন অক্সফম, সেভ দ্যা চিলড্রেন, ভিএসওতে জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন, পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ এ যাবৎ দলের সকল রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি একজন লড়াকু সৈনিক।
তিনি ৮ম ও ৯ম জাতীয় সংসদে জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়নে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাবেক চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চাঁদপুর জেলা শাখার সাবেক সভানেত্রী।








