প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:৩৭
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে জেলা বিএনপির আলোচনা সভা ও দোয়া
-- শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রর প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চাঁদপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
|আরো খবর
সোমবার (১৯ জানুয়ারি ২০২৬) বাদ আসর চাঁদপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এবং সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক মুনির চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. একেএম সলিম উল্যাহ সেলিম, সহ-সভাপতি মাহবুব আনোয়ার বাবলু, দেওয়ান মো. সফিকুজ্জামান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. হারুনুর রশিদ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন প্রমুখ।
জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, ফেরদৌস আলম বাবু, ডিএম শাহজাহান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিমুছ সালাম, অ্যাড. জহির উদ্দিন মো. বাবর বেপারী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মো. মোশারফ হোসাইন, কোষাধ্যক্ষ আ. কাদের বেপারী, প্রচার সম্পাদক শরিফ উদ্দিন আহমেদ পলাশ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাড. মনিরা চৌধুরীসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া, মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন চাঁদপুর জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা মো. জসিম উদ্দিন।
কর্মসূচির শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মো. জাকির হোসেন মৃর্ধা।
সভাপ্রধানের বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি ও চাঁদপুর ৩ (সদর-হাইচর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশ নামক দেশটি বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পেতো না। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন। যুদ্ধ শেষে তিনি ক্ষমতার লোভে না পড়ে ব্যারাকে ফিরে যান। পরে ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি দেশের মানুষকে বাকস্বাধীনতা দিয়েছেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন করেছেন।
শেখ মানিক আরো বলেন, শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত সৎ লোক ছিলেন।তাঁদের জন্যে বিশ্বের মুসলমানের দোয়া ছিলো। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ বিতাড়িত হয়েছে। আজকে দেশের মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছে। শহীদ জিয়ার সততা অনুসরণ করে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা জনগণের কাছে যাবো, তাঁদের জন্যে দোয়া চাইবো। আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।








