শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাজীগঞ্জে ৩ ডাকাত গ্রেফতার। পিকআপ সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশ : ২৮ মার্চ ২০২৬, ০১:৪০

১৭ এপ্রিল তৃতীয় বাঁশি উৎসব

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১৭ এপ্রিল তৃতীয় বাঁশি উৎসব

বিশ্ব নাট্য দিবস উপলক্ষে জাগরণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে শুক্রবার (২৭ মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টায় চাঁদপুর সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জাগরণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কবি, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন জাগরণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উপদেষ্টা সংগীতশিল্পী স্বজন সাহা, দৈনিক কালবেলার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক অমরেশ দত্ত জয়, সংগঠনের সংগীত বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহিন খান, সংগঠনের সহ-সভাপতি প্রশান্ত সরকার, সহ-সভাপতি ও নাট্যাভিনেতা আব্দুর রহমান সোহেল পাটওয়ারী।

সভার সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩শ' বছর আগ থেকেই ধর্মীয় চেতনার আদলে নাটকের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রাচীন ভারতেও তাই। বাংলা নাটকও সমসাময়িক অবস্থা থেকে শুরু হয়। পাশ্চাত্য নাটকের ট্র্যাজেডি আঙ্গিক থেকে নাটককে বের করে এনেছেন বাংলার আধুনিক নাট্যকারগণ। এদের মধ্যে বাংলাদেশের নাট্যাচার্য ড. সেলিম আল দীন, নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক, হুমায়ুন আহম্মেদ, নাট্যকার মামুনুর রশীদসহ আরও অনেকের অবদান উল্লেখযোগ্য। কিন্তু পাশ্চাত্যের ট্র্যাজেডি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত, দীনবন্ধু মিত্রসহ কয়েকজন। নাটককে একাডেমিকে নিয়ে আসাতে বাংলাদেশের নাট্যব্যক্তিত্বদের ভূমিকা অগ্রগণ্য।

তিনি আরও বলেন, মানুষের স্বাভাবিক আচরণকে একটু আলঙ্কারিক সার্থকভাবে নিয়ে আসাকে নাটক বলে বিশেষজ্ঞগণ মত দেন। নাটকের কাহিনীর পরম্পরায় ছন্দ থাকে বলেই নাট্যবোদ্ধাগণ নাটককে 'দৃশ্যকাব্য' হিসিবে অভিহিত করেন।

বিশ্ব নাট্য দিবসে আলোচনা সভার আগে জাগরণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। আগামী ১৭ এপ্রিল, শুক্রবার, বিকেল ৩টায় চাঁদপুর প্রেসক্লাবে তৃতীয় বাঁশি উৎসবের মতো লোকজ অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ডিসিকে /এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়