প্রকাশ : ১২ মার্চ ২০২৬, ২১:৫৪
হাইমচর প্রেসক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন
সভাপতি মহসিন সম্পাদক জাহিদ

হাইমচর প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে কার্যকরী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে বিপুল ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে মো. মহসিন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মো. জাহিদুল ইসলাম।
|আরো খবর
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে সর্বমোট ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সভাপতি পদে জিএম ফজলুর রহমান, মাসুদ আলম রিয়াদ ও মহসিন মিয়া আর সাধারণ সম্পাদক পদে হাসান আল মামুন ও জাহিদুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
হাইমচর প্রেসক্লাবে ৪৭ জন ভোটারের মধ্যে ৩৪ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে মহসিন মিয়া ১৯ ভোট পেয়ে সভাপতি হিসেবে জয়লাভ করেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জিএম ফজলুর রহমান পেয়েছেন ১২ ভোট ও মাসুদ আলম রিয়াদ পেয়েছেন ৩ ভোট।
এদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ২০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন মো. জাহিদুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হাসান আল মামুন পেয়েছেন ১৪ ভোট।
হাইমচর প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী ছিলেন দৈনিক চাঁদপুর দিগন্তের মফস্বল সম্পাদক জিএম ফজলুর রহমান, তার প্রতীক চশমা; দৈনিক সুদীপ্ত চাঁদপুর হাইমচর প্রতিনিধি মো মাসুদ আলম রিয়াদ, তার প্রতীক মোবাইল এবং দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ হাইমচর প্রতিনিধি মো. মহসিন মিয়া, তার প্রতীক কলম। সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাক ও চাঁদপুর প্রতিদিন হাইমচর প্রতিনিধি মো. হাসান আল মামুন, তার প্রতীক ল্যাপটপ; দৈনিক আমার দেশ হাইমচর প্রতিনিধি মো. জাহিদুল ইসলাম, তার প্রতীক ক্যামেরা।
সভাপতি পদে ত্রিমুখী লড়াই হয়েছে। যেখানে প্রার্থী হয়েছেন ফজলুর রহমান। তিনি ২০২৫ সেশনে কার্যকরী কমিটির নির্বাহী সদস্য ছিলেন। মহসিন মিয়া ছিলেন কার্যকরী কমিটির সহ-সভাপতি। ভোটাররা বলছেন এ দুজন প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে।
সাধারণ সম্পাদক পদে দ্বিমুখী লড়াইয়ে কার্যকরী কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন পরাজিত হয়েছেন। তিনি সকল ভোটারের ভোট আশা করলেও জুনিয়র সদস্যদের ভোট হারিয়ে এ পরাজয় বরণ করেছেন। তবে দ্বিতীয় প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণ ভোট পেয়ে জয়ের আশাবাদী ছিলেন। এদিকে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের ভোটে এগিয়ে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার মাওলানা আলী আকবর জানান, উৎসবমুখর পরিবেশে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি আমরা তফসিল ঘোষণা করি। তফসিল অনুযায়ী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, ১ ও ২ মার্চ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা, ৩ মার্চ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম ও ৪ মার্চ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় নির্ধারণ করে বিকেল ৩টায় প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার উৎসবমুখর পরিবেশে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যারা নির্বাচিত হয়েছেন তারা প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণের পরামর্শে খুব শীঘ্রই একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি উপহার দিবেন বলে আমি আশাবাদী।








