মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৬, ২০:৪৬

কচুয়ায় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
কচুয়ায় যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ
শিশু ধর্ষণকারী যুবদল নেতা আক্তার হোসেন।

কচুয়া পৌরসভাধীন ৬নং ওয়ার্ড লক্ষ্মীপুর ভূঁইয়া বাড়ির এক দিনমজুরের  ৯ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) বিকেলে পৌরসভার কুটিয়া লক্ষ্মীপুর বাজারে যুবদল নেতা আক্তার হোসেন এ ঘটনা ঘটায় বলে অভিযোগ করা হয়। যুবদল নেতা আক্তার হোসেন কুটিয়া লক্ষ্মীপুর বাজারের চা দোকানদার। দুপুরের পর প্রায় দোকানগুলো বন্ধ থাকায়, সুযোগ বুঝে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে সে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

 স্থানীয় এক শ্রমিকদল নেতা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই ঘটনার ভিডিও আছে। এ ঘটনা শোনার পর গ্রামবাসীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান, ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য রোববার রাতে উপজেলা বিএনপি ও স্থানীয় বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ধর্ষিতার বাবার বাড়িতে গিয়ে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেছে এবং ভুক্তভোগীর পরিবারকে ১ লাখ টাকা দিবে এবং থানায় অভিযোগ না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেছে। 

স্থানীয়রা আরো জানান, যুবদল নেতা আক্তার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে কুটিয়া লক্ষ্মীপুর বাজারে নামমাত্র চায়ের দোকানে মদ, কেরু, ইয়াবা বিক্রিসহ দেহব্যবসা করে আসছে। এই বাজারটা আগে অনেক জমজমাট ছিলো। কিন্তু তাদের বাপ-ছেলের অসামাজিক কার্যকলাপের কারণে বর্তমানে এই বাজার প্রায় বন্ধের পথে। বাজারের সাথেই কুটিয়া লক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের ছোট ছোট ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে আসা ও যাওয়ার সময় শ্রমিক দলের নেতা বোতল মিজান ও তার ছেলে যুবদল নেতা আক্তার হোসেন বিভিন্নভাবে অসামাজিক অঙ্গভঙ্গি করে। এ নিয়ে এলাকাবাসী খুব বিব্রতকর অবস্থায় আছে। তাদের ভয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে কেউ অভিযোগ করতে পারছে না। পুরো এলাকা জিম্মি তাদের কুকর্ম ও দলীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে।

‎এ ঘটনায় স্থানীয়রা শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, উপজেলা প্রশাসন ও কচুয়া থানার ওসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। দ্রুত ধর্ষক আক্তার হোসেন ও তার বাবা বোতল মিজানের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে  আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়