বুধবার, ০৩ জুন, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ১৭:৫৮

মুদি ব্যবসার আড়ালে দু সহোদরের মাদকের কারবার

সহযোগীসহ আবারো আটক হলো একজন

স্টাফ রির্পোটার।।
মুদি ব্যবসার আড়ালে দু সহোদরের মাদকের কারবার

ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরস্থ জনগুরুত্বপূর্ণ এ আর হাই স্কুল গেইট এলাকায় মুদি দোকানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মাদকের কারবার করা দু সহোদরের একজন আবারো পুলিশের হাতে আটক হলো। এ দু সহোদর রাকিব হোসেন ও কবির হোসেন এই নিয়ে ১১বার আটক হয়েছে। সর্বশেষ কাছিয়াড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে দু সহোদরের একজন কবির হোসেন (৩৪) ও তার এক সহযোগী সামছুর রহমান(৪৫)কে পুলিশ মঙ্গলবার (২ জুন ২০২৬) দিবাগত রাতে কাছিয়াড়া গ্রামের ওয়াপদা ভবনের দক্ষিণ পাশে ‘কবির স্টোর’ থেকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে মাত্র ১৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কবির ও তার ভাই রাকিব দীর্ঘদিন ধরে মুদি দোকানের আড়ালে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। এর আগেও তারা একাধিকবার পুলিশের হাতে ধরা পড়ে কারাবরণ করেছেন। কিন্তু জামিনে বেরিয়ে তারা আবারও একই কারবারে লিপ্ত হন।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে ওই দোকানে অভিযান চালায় ফরিদগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল। অভিযানে ১৩টি ইয়াবা বড়িসহ কবির ও সামছুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। কবিরের বিরুদ্ধে আগে দুটি এবং তার ছোট ভাই রাকিবের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আটটি মামলা রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চিহ্নিত মাদক কারবারি রাকিবের মাদকের জালে জড়িয়ে ধ্বংসের পথে এলাকার তরুণ সমাজ। ২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে অন্তত আটটি মামলা হয়েছে। সর্বশেষ গত ২২ ফেব্রুয়ারি মাদকসহ গ্রেপ্তারের পর ২৮ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেয় পুলিশ। বারবার গ্রেপ্তার হলেও জামিনে বেরিয়ে এসে তিনি পুনরায় মাদক কারবার শুরু করেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক অভিভাবক বলেন, রাকিব ও কবিরের মতো কারবারিরা বারবার জামিনে বেরিয়ে এসে যদি বুক ফুলিয়ে এলাকায় মাদক বিক্রি করে, তবে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ কী? আমরা প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা চাই।

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, গ্রেপ্তারকৃত কবির ও সামছুর রহমানের বিরুদ্ধে নতুন করে মাদক মামলা দিয়ে বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়