প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২২:৪৭
স্কাউট নেতা ফাহিমকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ফরিদগঞ্জ উপজেলা ও মুক্ত স্কাউটসের তীব্র নিন্দা

চাঁদপুরে স্কাউটিংয়ের আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ‘জোটা-জোটি’ আয়োজনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি পোস্টের জেরে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্কাউটসের সহকারী কমিশনার ও ফরিদগঞ্জ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম ফাহিমকে অশালীন ভাষায় গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর প্রতিবাদ জানিয়েছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্কাউটসের সম্পাদক আব্দুল লতিফ এবং ফরিদগঞ্জ মুক্ত স্কাউটসের সভাপতি নুরুন্নবী নোমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
|আরো খবর
জানা গেছে, যে ফেসবুক পোস্টটি কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে, সেটির সঙ্গে ফাহিমের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। ইতোমধ্যে নিজের নিরাপত্তা চেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন মো. জাহিদুল ইসলাম ফাহিম।
এক যৌথ প্রতিবাদ বিবৃতিতে স্কাউট নেতৃবৃন্দ বলেন, “স্কাউটিং একটি আন্তর্জাতিক ও আদর্শভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী আন্দোলন। শৃঙ্খলা, মানবিকতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতাই এ আন্দোলনের মূল ভিত্তি। কোনো পোস্ট বা সাংগঠনিক বিষয়কে কেন্দ্র করে একজন স্কাউট নেতাকে গালাগাল কিংবা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক, অনভিপ্রেত ও নিন্দনীয়।”
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো বক্তব্য বা পোস্ট নিয়ে মতপার্থক্য থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে কিংবা সংগঠনের নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সমাধান করা যেতে পারে। কিন্তু প্রকৃত সত্য যাচাই না করে কাউকে অভিযুক্ত করা, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। ফাহিম ওই পোস্টের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন ছিল। নিশ্চিত না হয়ে কাউকে হয়রানি বা হুমকির মুখে ফেলা অসংগত।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বাংলাদেশ স্কাউটস কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, ফোনে দেওয়া হুমকির সত্যতা যাচাই এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সাথে তাঁরা মো. জাহিদুল ইসলাম ফাহিমের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্কাউটিংয়ের মর্যাদা ও সম্মান সমুন্নত রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কোনো ধরনের মতবিরোধ যেন ব্যক্তিগত আক্রমণ, হয়রানি কিংবা হুমকির পর্যায়ে না পৌঁছায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।








