প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ১৮:০২
ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে এমপি এমএ হান্নান
হাসপাতালের স্বাস্থ্য ভালো থাকলে এখানকার রোগীরাও ভালো থাকবে

কাগজে কলমে ৫০ শয্যার হাসপাতাল হিসেবে চিহ্নিত ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেছেন ফরিদগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এমএ হান্নান। এ সময় তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন ইউনিটের অব্যবস্থাপনা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
|আরো খবর
সোমবার (৪ মে ২০২৬) দুপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে সাধারণত গ্রামের অসহায় ও স্বল্প আয়ের লোকজন চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। যাদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় অনেকটাই। কিন্তু তারা এসে কেমন চিকিৎসা পাচ্ছেন, সেই বিষয়ে খোঁজ নিতে হঠাৎ করেই এখানে এসে পড়লাম। আমি যেমন আমার ব্যবসায় অভিজ্ঞ, ঠিক তেমনি
আপনারা যারা ডাক্তার, কী কী কারণে রোগ সৃষ্টি হয়, তা আপনারা ভালো জানেন। সেভাবে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হবে। শুধু চিকিৎসা সেবা দিলেই হবে না, হাসপাতালের পরিবেশ যদি নোংরা হয়, তাহলে রোগীরা আরও অসুস্থ হয়ে পড়বে। আপনারা ডাক্তাররা ডিউটির সময় বা সবসময় সুন্দর জামাকাপড় ছাড়া গায়ে দেন না। যাতে করে আপনাদেরকে সুন্দর দেখা যায়। তদ্রূপ রোগীদের সীট ও থাকার জায়গা যদি ভালো না হয়, পরিবেশ সুন্দর না হয়, তাহলে রোগীরা আরও অসুস্থ হবে, রোগের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। সরকার দেশের স্বাস্থ্যখাতকে উন্নত করার জন্যে অঙ্গীকারাবদ্ধ। সুচিকিৎসার জন্যে সব ব্যবস্থা করে যাচ্ছে। আপনারা ডাক্তাররা যদি একটু খেয়াল না রাখেন, প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নজর না দেন, তাহলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে না। কারণ হাসপাতালের স্বাস্থ্য ভালো থাকলে রোগীরাও ভালো থাকবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে যে সকল অতি প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দরকার সরকার তার দ্রুত ব্যবস্থা করেন। এরপর অবশিষ্ট জরুরি জিনিসপত্রের জন্যে প্রয়োজনে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বলবেন, আমি সহায়তা করবো। এছাড়া সমাজের ধনী ব্যক্তিদেরকে বলবেন, ভালো চিকিৎসার জন্যে হাসপাতালের ভালো পরিবেশের জন্যে তাদের হাত বাড়িয়ে দিতে। মোটকথা যে
কোনোভাবেই হোক, হাসপাতালের সুচিকিৎসা ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আসাদুজ্জামান জুয়েল, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ, যুবদলের সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন শিপন, সাবেক সা. সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ইমাম হোসেন পাটওয়ারী প্রমুখ।








