প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৬, ২১:০০
ফরিদগঞ্জে মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম প্রশিক্ষণ সমাপ্ত
সাংবাদিকদের দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই
---- ইউএনও সেটু কুমার বড়ুয়া

ফরিদগঞ্জে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে।
|আরো খবর
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) বিকালে প্রশিক্ষণশেষে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের হাতে সনদ তুলে দেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া।
প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতার ধরণ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ফ্যাক্ট চেকিং সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন সময়ের অপরিহার্য দাবি। একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিককে নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, গুজব ও অপতথ্য প্রতিরোধে সাংবাদিকদের আরও সচেতন ও পেশাদার ভূমিকা রাখতে হবে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও প্রযুক্তির যুগে কোনটি সঠিক তথ্য, তা মানুষ এখনও বুঝতে পারে না। তাই তাদের কাছে ভুল বার্তা চলে যাচ্ছে। এসব থেকে মুক্তির উপায় হলো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গণমাধ্যমকর্মীদের আরও বেশি সক্রিয় হওয়া। আমি আশা করবো, পিআইবি ফরিদগঞ্জের মতো সারা দেশে তৃণমূল পর্যায়ে গণমাধ্যমকর্মীদের দক্ষতা অর্জনের জন্যে আরও বেশি করে প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে।
ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রশিক্ষক জিলহাজ উদ্দিন নিপুন ও হাইমচর প্রেসক্লাবের সভাপতি মহসীন মিয়া।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান, সাবেক সভাপতি নুরুন্নবী নোমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী, নুরুল ইসলাম ফরহাদ, সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন, সদস্য সাখাওয়াত হোসেন মিন্টু এবং হাইমচর প্রেসক্লাবের সদস্য শিমুল অধিকারী।
এর আগে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের ব্যবস্থাপনায় প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত স্থানীয় সাংবাদিকদের জন্যে তিন দিনব্যাপী মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম প্রশিক্ষণে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের ২৭ জন এবং হাইমচর প্রেসক্লাবের ৮ জনসহ মোট ৩৫ জন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে ছিলেন দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি আবু হেনা মোস্তফা কামাল, চ্যানেল ওয়ানের জেলা প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি মামুনুর রশিদ পাঠান, দৈনিক আমার দেশের প্রতিনিধি নুরুন্নবী নোমান, দৈনিক যুগান্তর ও ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিনিধি প্রবীর চক্রবর্তী, দৈনিক সংবাদ সারাবেলার প্রতিনিধি নারায়ণ রবিদাস, দৈনিক বাংলাদেশের খবরের প্রতিনিধি নুরুল ইসলাম ফরহাদ, দৈনিক আজকের পত্রিকা ও দ্য বাংলাদেশ টুডের প্রতিনিধি মো. মমীন হোসেন (গাজী মমিন), দৈনিক ডেইলি অবজারভার ও সময়ের আলোর প্রতিনিধি এসএম ইকবাল, দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিনিধি শিমুল হাছান, দৈনিক ভোরের ডাকের প্রতিনিধি জাকির হোসেন সৈকত, দৈনিক মানবকণ্ঠের প্রতিনিধি আক্তার হোসাইন, মোহনা টেলিভিশনের প্রতিনিধি ফাহাদ খান, জাগরণী টিভির প্রতিনিধি মোশারফ হোসেন ফারুক, দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি আবদুল কাদির, আরটিভির প্রতিনিধি শামীম হাসান, প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি রুহুল আমিন খান স্বপন, দ্য নিউ নেশনের প্রতিনিধি ফখরুল পাঠান, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি মামুন হোসাইন, দৈনিক আলোকিত প্রতিদিনের প্রতিনিধি সাখাওয়াত হোসেন মিন্টু, চ্যানেল এস-এর প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন, দৈনিক রূপালী বাংলাদেশের প্রতিনিধি আমান উল্যাহ ফারাবী, দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার প্রতিনিধি এফ এ মানিক, দৈনিক দেশ বার্তার প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন, দৈনিক ডেসটিনির প্রতিনিধি মেহেদী হাসান, দৈনিক নয়াদিগন্তের প্রতিনিধি শাকিল মুশফিক, দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিনিধি কে. এম. নজরুল ইসলাম, দৈনিক চাঁদপুর সংবাদের হাইমচর প্রতিনিধি মোহসিন মিয়া, বাংলা টিভি ডিজিটালের চাঁদপুর প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দৈনিক একাত্তর কণ্ঠের হাইমচর প্রতিনিধি ফারুকুল ইসলাম, দৈনিক ভোরের কাগজের হাইমচর প্রতিনিধি মোতাহার হোসেন, দৈনিক কালবেলার হাইমচর প্রতিনিধি শিমুল অধিকারী সুমন, দৈনিক চাঁদপুর সংবাদের হাইমচর প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ রাসেল, দৈনিক মেঘনা বার্তার হাইমচর প্রতিনিধি গাজী মাজহারুল ইসলাম সৈকত এবং দৈনিক চাঁদপুর দিগন্তের হাইমচর প্রতিনিধি আবুল খায়ের।








