প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৪৭
হাজীগঞ্জে জলাশয় ভরাটের দায়ে ড্রেজার পাইপ ধ্বংস

হাজীগঞ্জে সরকারি অনুমতি ছাড়া জলাশয় ও পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ড্রেজার পাইপ ধ্বংস করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বলাখাল এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর সানী আকন এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
|আরো খবর
- হাজীগঞ্জে বিনামূল্যে সেবাপ্রাপ্ত পাঁচ শতাধিক রোগীর মধ্যে দেড় শতাধিকের চক্ষু অপারেশনের ব্যবস্থা
- চার কিলোমিটারজুড়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শুরু : দখল-দূষণে মৃতপ্রায় খাল পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ, পর্যায়ক্রমে মতলব ও হাজীগঞ্জ পর্যন্ত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম
- হাজীগঞ্জের মেনাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় তরিকুল নিহতের ঘটনায় বিচার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী অক্ষয় কুমার সাহা স্থানীয় রতন কুমার সাহা, প্রবীর সাহা, জাহাঙ্গীর আলম ও কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়, বলাখাল মৌজার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত কিছু জমি, পুকুর ও ডোবা নিয়ে বিবাদী রতন কুমার ও প্রবীর সাহার সঙ্গে চাঁদপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা (নং-৩১৭/২০২১) বিচারাধীন রয়েছে। কিন্তু বিবাদীরা আদালতের আইন অমান্য করে এবং পেশীশক্তি খাটিয়ে বিরোধপূর্ণ একটি পুকুরে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু ভরাট শুরু করে। স্বজনরা এতে বাধা দিতে গেলে তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়।
অভিযোগ পেয়ে ঘটনা অনুসন্ধানে গিয়ে একটি পুকুর ভরাট এবং অপরটিতে বালু ভরাটের উদ্দেশ্যে ড্রেজার পাইপ স্থাপনের সত্যতা পান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ সময় ঘটনাস্থলে ড্রেজার মালিক বা ব্যবহারকারী কাউকেই না পেয়ে স্থাপন করা পাইপগুলো ভেঙে ধ্বংস করার নির্দেশ দেন তিনি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর সানী আকন বলেন, “পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া যে কোনো জলাধার, নালা বা পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ। বেআইনি পাইপগুলো বিনষ্ট করা হয়েছে। তবে উভয়পক্ষের সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলা যেহেতু আদালতে বিচারাধীন, সে বিষয়টি আদালতই নিষ্পত্তি করবেন।”
l








