শনিবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২১:২৬

ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন

৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা ব্যর্থ রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছিলেন

— শরীফ মো. ইউনুছ

স্টাফ রিপোর্টার।।
৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতা ব্যর্থ রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছিলেন

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপন উপলক্ষে শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফরিদগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আমানত গাজীর সঞ্চালনায় এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি মজিবুর রহমান দুলালের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শরীফ মো. ইউনুছ।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবু জাফর খসরু মোল্লা, জাকির হোসেন পাটোয়ারী, নজরুল ইসলাম পাটোয়ারী, রফিকুল ইসলাম কাঞ্চন ও আব্দুর রহমান,পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল মিজি, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আজিম, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন শিপন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মঞ্জু ও যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুর রহমান খান, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ইমাম হোসেন, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, মহিলা দলের নেত্রী রেবেকা সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব ফারুক হোসেন, পৌর যুবদলের আমিন মিজি, জেলা যুবদলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার হুমায়ুন কবির এবং ওলামা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক বিন ইয়ামিন ও সদস্য সচিব মাওলানা রেদওয়ান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরীফ মো. ইউনুছ বলেন, “ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। সেদিন ভারতীয় চক্রান্তে কয়েকজন সামরিক অফিসার ক্যু ও পাল্টা ক্যু করে তৎকালীন দেশপ্রেমিক উপ-সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে বন্দী করে রেখেছিলেন। ৭ নভেম্বর ভোরে বাংলাদেশের জনতা সাধারণ সিপাহিদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশবিরোধী চক্রান্ত নস্যাৎ করে জেনারেল জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে এবং দেশকে ভিনদেশী দালালদের হাত থেকে রক্ষা করে। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের ঘটনা ও শিক্ষা দেশপ্রেমিক জনগণকে জানাতে হবে। শিশু-কিশোরদের মাঝে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ইতিহাস ছড়িয়ে দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা দীর্ঘ সতেরো বছর আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ব্যবসা হারিয়েছেন, বাড়ি হারিয়েছেন, স্বজন হারিয়েছেন, জেল খেটেছেন, মামলা-হামলার শিকার ও রক্তাক্ত হয়েছেন। তাহলে বিএনপি সরকার গঠন করার পরও আপনারা কেন অবহেলিত? দল ক্ষমতায় থাকার পরও আপনারা বঞ্চিত হতে পারেন না। জনাব তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যেভাবে দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে নিচ্ছেন, আমাদের তৃণমূল কর্মীদের দায়িত্ব হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের মিশন-ভিশন বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সকল উদ্যোগ সফল করতে জীবনবাজি রেখে কাজ করতে হবে। শীঘ্রই কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে তৃণমূলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত দায়িত্বশীল নেতাদের নিয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি গঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।”

তিনি বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের প্রতি দলের সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সকল কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়