প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ২৩:২৪
কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভা

বাংলা সাহিত্যের ক্ষণজন্মা কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য স্মরণে সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে প্যাপিরাস পাঠাগার। শুক্রবার (১৫ মে ২০২৬) বিকেল ৫টায় চাঁদপুর শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ প্যাপিরাস পাঠাগার কার্যালয়ে এ আড্ডার আয়োজন করা হয়।
পাঠাগারের সভাপতি ও বাঁশি উৎসবের রূপকার অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণির সভাপতিত্বে ও প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপনের সঞ্চালনায় বিপ্লব ও দ্রোহের কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে আলোচনা করেন চাঁদপুর সেন্ট্রাল ইনার হুইল ক্লাবের সাবেক সভাপতি মাহমুদা খানম, চাঁদপুর খেলাঘর আসরের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির কাঞ্চন, পাঠাগারের উপদেষ্টা দিলীপ ঘোষ, উপ-সভাপতি ফেরারী প্রিন্স, ভাসানী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংঘের কর্ণধার সাইফুল ইসলাম রাজিব ও সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আন্ডার রাইটিং এন্ড একাউন্টস অফিসার মেহেদী হাসান।
অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, সুকান্ত ভট্টাচার্য মাত্র ২১ বছর বয়সে বাংলা সাহিত্যের কালোত্তীর্ণ একজন কবির আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তাঁর কবিতায় দেশপ্রম, দ্রোহ এবং বিপ্লবের চেতনা ফুটে উঠেছে বারবার।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ব সাহিত্যের ক্ষণকালীন প্রজাপতি জন কীটস, ফ্রানৎস কাফকার মতো সুকান্ত ভট্টাচার্যও মৃত্যুবরণ করেন যক্ষ্মারোগে। তাদের মতোই সুকান্তের মতো জীবন ছিলো দুঃখ-বেদনায় ঠাসা। বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে ক্ষণজন্মা কথাশিল্পী সোমেন চন্দের চেয়ে মাত্র অল্প কিছুদিন সময় পৃথিবীর আলো-বাতাস দেখেছিলেন সুকান্ত। আরও কিছুদিন বাঁচলে আমাদের অনেক কিছু দিয়ে যেতে পারতেন তিনি।
অনুষ্ঠানে কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন বক্তারা।
সবশেষে ফলচক্রের আয়োজন করা হয়।




