প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০২:১৮
ফরিদগঞ্জে সরকারি খাল দখল : আদালতের নির্দেশের ৩৫ দিনেও জমা হয়নি তদন্ত প্রতিবেদন
২৯ জুলাই ছিল প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা; ১৮ আগস্টের মধ্যে জমা দিতে আদালতের পুনঃনির্দেশ

মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে সড়কের ওপর পরিত্যক্ত অবস্থায় রাখা একটি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। পরে খবর পেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে, যা নিয়ে সমগ্র এলাকায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
|আরো খবর
ঘটনার বিবরণ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মতিঝিল শাপলা চত্বর সংলগ্ন মেট্রোরেল স্টেশনের নিচের সড়কে একটি খোলা ছাতা পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় পথচারীরা। ছাতার ভেতরে একটি বস্তুতে লাল আলো মিটমিট করে জ্বলতে দেখে সন্দেহ হলে দ্রুত মতিঝিল থানায় খবর দেওয়া হয়।
এর আগে, স্থানীয়দের একাংশের দাবি অনুযায়ী, মেট্রোরেলের নিচের সড়কে হঠাৎ বিকট শব্দে একটি হালকা বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল তল্লাশি চালিয়ে ছাতার ভেতরে বিশেষ কায়দায় মোড়ানো ও পেঁচানো অবস্থায় অবিস্ফোরিত বস্তুর সন্ধান মেলে।
বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের তৎপরতা
সংবাদ পাওয়ার পরপরই মতিঝিল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল কর্ডন (ঘিরে) করে ফেলে এবং আশপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে উক্ত সড়কের এক পাশে যান চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত ও বন্ধ রাখা হয়।
পরবর্তীতে সিটিটিসি-র বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট রাত আনুমানিক ৮টা ৫ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করে এবং নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে বস্তুটি সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম হয়।
পুলিশের বক্তব্য
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার জানান:
"মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি ছাতার ভেতরে মিটমিট করে বাতি জ্বলছিল। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে অবহিত করে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে নিশ্চিত হওয়া যায় বস্তুটি একটি বোমা ছিল। পরবর্তীতে কোনো প্রকার ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহত ছাড়াই সেটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।"
বর্তমান পরিস্থিতি ও তদন্ত
ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ঘটনাটিতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ব্যস্ততম এই বাণিজ্য এলাকায় কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে ছাতার নিচে বোমাসদৃশ বস্তুটি রেখে গিয়েছিল তা শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণসহ নিবিড় তদন্ত শুরু হয়েছে।






