প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:২২
চাঁদপুর কণ্ঠের দায়িত্ববোধে কৃতজ্ঞতা
চাঁদপুর কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যেনো চাঁদপুরের গণমানুষের জয়ধ্বনি। কলম খচিত অক্ষরগুলো বয়ে বেড়ায় মোহনাপৃষ্ঠ চাঁদপুর কণ্ঠে।চার পৃষ্ঠার আয়নায় দেখা যায় যাপিত জীবনের গল্প। বিভাগীয় পাতা আর সম্পাদকীয় কলামে দৃষ্টিগোচরীভূত হয় সমাজ-রাষ্ট্র কর্ণধারদের সমীপে। ব্যতিক্রম নয় চাঁদপুর কণ্ঠ কর্তৃপক্ষের দায়বদ্ধতা। আমার কলমে ২০১৩-১৪ সালে ‘কৃষিকণ্ঠ’ বিভাগ প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরি। ২২ জানুয়ারি ২০১৫ (বৃহস্পতিবার) তারিখে প্রথম ‘কৃষিকণ্ঠ’ বিভাগ প্রকাশিত হয়। জানুয়ারি ২০২৬ ‘কৃষিকণ্ঠ’ বিভাগের এগারো বছরপূর্তি অনুষ্ঠান করা হয়। জেলাভিত্তিক এমন প্রকাশনা অনন্য। প্রধান সম্পাদক জনাব কাজী শাহাদাত তাঁর বক্তব্যে লেখকের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে যেভাবে আমার প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন, তা ছিলো দায়িত্ব ও কৃতজ্ঞতাবোধের মধুর শিষ্টাচার।
কৃষিকণ্ঠের তাৎপর্যপূর্ণ সাফল্যগাথায় অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদীও সময়োপযোগী প্রকাশনার কৃতিত্ব তুলে ধরেন। এভাবেই সাফল্যের প্রশংসার ঝুড়ি সমৃদ্ধ হয় চাঁদপুর কণ্ঠের।
দীর্ঘ পথচলায় পাঠক অনুভূতির নিবেদন, একটি সংবাদে সংবাদদাতার নাম/সূত্র না থাকলে সংবাদের গুরুত্ব ফানসে লাগে। পাঠকের মনে আস্থাহীনতা উঁকি দেয়। ঘটনাবহুল সংবাদে পক্ষ-বিপক্ষ-কর্তৃপক্ষের মতামতসমেত সংবাদ পরিবেশন করলে পাঠকের বিশ্বস্ততায় পত্রিকাটি হয়ে ওঠে উজ্জ্বল। পাঠকের মতামত সর্বাগ্রে প্রাধান্যে, বত্রিশ বছরপূর্তির উচ্ছ্বাসে, আস্থা, বিশ্বস্ততা, বস্তুনিষ্ঠতা ও জনপ্রিয়তায় জেলার শীর্ষ অবস্থানে চাঁদপুর কণ্ঠ যুগ যুগান্তরে অম্লান থাকুক ভালোবাসার কণ্ঠশ্রী হিসেবে--এই প্রত্যাশা।
সবাইকে
আনন্দ-শুভেচ্ছা।
লেখক : প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, উমেদ আলী ভূঁইয়া স্মৃতি সংসদ; ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ভূঁইয়া সুপার মার্কেট, বাবুরহাট; কার্যনির্বাহী সদস্য, সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুর।







