প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৬, ১৭:০০
শাহরাস্তিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু পক্ষের সংঘর্ষে ১০ টি দোকান ভাংচুর আহত ৮

শাহরাস্তিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করা হয়েছে। এতে ৮ জন আহত হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) রাতে উপজেলার খিলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাজারের প্রসাধনী ব্যবসায়ী টিটু অপর ব্যবসায়ী ফারুক হোসেনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সন্ধ্যায় ফারুক হোসেন কে ক্যারফা ফারুক হিসেবে আখ্যায়িত করার পর উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। রাতে উভয় পক্ষ ( খিলা বাজার ও পাথৈ গ্রাম ) লোকজন জড়ো করে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উত্তেজিত লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে বাজারে হামলা করে প্রায় ১০ টি দোকান ভাংচুর করে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে : নোমান নকশা হাউস, জনতা ফার্মেসি, জহিরুল ইসলামের বেডিং স্টোর, মাস্টার টেলিকম, সাইফুল স্টোর, সেবা ফার্মেসি, মেডিসিন কর্নার, ফয়েজের হোটেল, ফজর আলী সুবেদারের স' মিল ও একটি সেলুন। এছাড়াও বেশ ক'টি দোকানে ভাংচুরের চেষ্টা চালানো হয়। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন জিনিসপত্রের ক্ষয়ক্ষতি হয়।
ব্যবসায়ী নোমান হোসেন জানান, তার দোকানের মটর লুট করে নেয়া হয়েছে। সাইফুল স্টোরের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম জানান, তার দোকানের প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পর শাহরাস্তি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে। এ ঘটনায় অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। আহতরা হলেন : ইউপি সদস্য ফারুক হোসেনের ছেলে ফাহিম হোসেন, ব্যবসায়ী মিঠু, ফল ব্যবসায়ী আমির হোসেন, ব্যবসায়ী অপু ও আনু মিয়ার ছেলে সবুজ। এছাড়াও অনেকেই আহত হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম জানান, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করছি। উভয়কে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আমরা অভিযোগের আলোকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেবো।








