প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৫:৪৩
বাগাদীতে চক্ষু চিকিৎসা শিবিরে ১ হাজার রোগীকে সেবা, ১২০ জনের অপারেশন নিশ্চিত

চাঁদপুরজমিন হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি, কুমিল্লার যৌথ উদ্যোগে দিনব্যাপী এক ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে।
|আরো খবর
রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) সকাল সাড়ে ৯টায় বাগাদী-নানুপুর চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থিত চাঁদপুরজমিন টাওয়ারে এ চিকিৎসা শিবিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে হাজী লোকমান পাবলিক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, চাঁদপুরজমিন হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় দৈনিক অনুপমা ও দৈনিক চাঁদপুরজমিন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, "যতদিন বাঁচি, আল্লাহ পাক যেন আমাকে মানুষের কল্যাণে ও সেবায় নিয়োজিত রাখেন, সে জন্য সকলের দোয়া চাই। ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই হাসপাতাল মানুষের চিকিৎসায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।"
তিনি আরও বলেন, "আমার মরহুম পিতা হাজী লোকমান মিয়া আজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তাঁরই সন্তান হিসেবে আমিও মানুষের সেবা করে যেতে চাই। অসহায় মানুষ যেন অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যেই ঢাকা থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে নিয়মিত বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।"
দৈনিক চাঁদপুরজমিন পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা অন্ধ কল্যাণ সমিতির ম্যানেজার মো. দেলওয়ার হোসেন, বাংলা ৫২-এর ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি জাকির হোসেন, কোড়ালিয়া পীর বাদশা মিয়া জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক মো. মহসিন মাতাব্বর, বড়স্টেশন রেলওয়ে দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম এবং দৈনিক চাঁদপুরজমিনের ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি মো. জামাল হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম।
দিনব্যাপী এই চক্ষু চিকিৎসা শিবিরে প্রায় ১ হাজার রোগীকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে প্রাথমিক বাছাই শেষে ছানি অপারেশন বা অন্যান্য চোখের চিকিৎসার জন্য ১২০ জন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় পাঠানো হয়। অনুষ্ঠানশেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বাগাদী জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মো. সিরাজুল ইসলাম।







