মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ
  •   চাঁদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. সলিম উল্লা সেলিম!

প্রকাশ : ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৯:৩৫

ডা. দীপু মনিকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হলো চাঁদপুরের তিন মামলায়

চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
ডা. দীপু মনিকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হলো চাঁদপুরের তিন মামলায়

২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিভিন্ন ঘটনায় দায়ের করা তিনটি মামলায় চাঁদপুর আদালতে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে পতিত আওয়ামী সরকারের সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) বিকেল ৩টায় চাঁদপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল মান্নানের আদালতে ভার্চুয়ালি তিন মামলার আসামি হিসেবে তাকে হাজির দেখানো হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জিআর ৫৭৯ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিন্টু দত্ত, জিআর ৫৭১ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাদির শাহ এবং জিআর ৫৮৫ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুরে আলম আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্যে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (জিআর ৫৭১/২৪) নাদির শাহ বলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি (বর্তমান এমপি) শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের বাসায় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ও ৪ আগস্ট দুবার ভাংচুর, আগুন ও লুটপাট করা হয়। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১নং আসামি দীপু মনি। তার নির্দেশে অন্যান্য আসামি এই ঘটনা ঘটায়। সেই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিন্টু দত্ত (জিআর ৫৭৯/২৪) বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ১নং আসামি দীপু মনির ইন্ধনে অন্যান্য আসামি ছাত্র-জনতার ওপর হামলা চালায়। সেই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

আরেক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (জিআর ৫৮৫/২৪) নুরে আলম বলেন, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ১নং আসামি দীপু মনির নির্দেশে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সড়ক ভবনের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় অন্যান্য আসামি। ওই মামলাতেও দীপু মনিকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়।

তিনটি মামলায় আসামি দীপু মনির পক্ষে আদালতে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। দীপু মনি নিজেই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেন।

আদালত থেকে জানানো হয়, তিনটি ঘটনাই চাঁদপুরে সংঘটিত হয়েছে। দীপু মনিকে এজাহারে নির্দেশ ও ইন্ধনদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। আসামি বলেছেন, তিনি জড়িত ছিলেন না। তদন্তের স্বার্থে তিনটি মামলায় আসামির শোন অ্যারেস্ট মঞ্জুর করেন বিচারক। আসামি বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী হারুনুর রশিদ, জিপি অ্যাডভোকেট এ জেড এম রফিকুল হাসান রিপন, স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট শিরিন সুলতানা মুক্তা, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, সম্পাদক জাকির হোসেন ফয়সালসহ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়