সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯:৩৪

আবারও শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন এহছানুল হক মিলন!

মো. মিজানুর রহমান।।
আবারও শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন এহছানুল হক মিলন!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। মন্ত্রিসভার কাঠামো নির্ধারণ ও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে দলীয় উচ্চপর্যায়ে চলছে নিবিড় আলোচনা। বিশেষ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন, শিক্ষা মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল।

শিক্ষা পরিবারে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে চাঁদপুর জেলার কচুয়ার কৃতী সন্তান

ড. আনম এহছানুল হক মিলনকে ঘিরে। তিনি এর আগে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর অবদান

সর্বজনবিদিত।

দলের জ্যেষ্ঠ ও অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের রাজনীতিকদেরও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে আসন্ন মন্ত্রিসভায়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আনম এহছানুল হক মিলনও স্থান পাচ্ছেন মন্ত্রিসভায়।

বিএনপির শীর্ষ পর্যায় সূত্রে জানা গেছে, দলের গুরুত্বপূর্ণ এই নেতাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। বিশেষ করে তিনি আগে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছেন। ফলে তাঁকে আবারও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে।মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন। এর আগে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ।

উল্লেখ্য, ড. আনম এহছানুল হক মিলন এবারের নির্বাচনে চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তিনি এই আসনে মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবু নসর আশরাফী পেয়েছেন মাত্র ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট। এ আসনের ১১০টি ভোটকেন্দ্রের ফল ঘোষণা শেষে এ জয়ের তথ্য জানানো হয়।

২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মেয়াদে আনম এহসানুল হক মিলন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি তাঁর কর্মতৎপরতার জন্যে বিশেষভাবে আলোচিত ছিলেন। পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে নকলমুক্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিতে তিনি নিজেই হঠাৎ করে বিভিন্ন কেন্দ্রে হাজির হতেন। এক কেন্দ্র থেকে আরেক কেন্দ্রে দ্রুত পৌঁছাতে তিনি নিজের অর্থে ভাড়া করা হেলিকপ্টার ব্যবহার করতেন। তাঁর দায়িত্বকালীন ছয় বছরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গড় পাসের হার ছিলো প্রায় ৪৪ দশমিক ১২ শতাংশ।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়