প্রকাশ : ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ২১:৩৮
আলগী দক্ষিণ ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মতবিনিময়

চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাড. মো. শাহজাহান মিয়া বলেছেন, আমার স্বপ্ন হচ্ছে আমি আপনাদের হয়ে কাজ করতে চাই। এমপি হলে জুতার তলা ক্ষয় করে আমার পেছনে ঘুরতে হবে না। আমার কাছে গিয়ে লাইন ধরতে হবে না। আমি আপনাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবো।
|আরো খবর
বুধবার (২৬ নভেম্বর ২০২৫) বিকেলে হাইমচর উপজেলার ৩নং আলগী দক্ষিণ ইউনিয়নের চরপোড়ামুখী নূরানী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ৭নং ওয়ার্ড জামায়াত আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে তিনি ঘুষমুক্ত প্রশাসন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ এবং টেকসই কর্মসংস্থান গড়তে কাজ করবেন। আজ সরকারি দপ্তরে গেলেই ঘুষ দিতে হয়। আমরা ইসলামী সরকার গঠনের সুযোগ পেলে জনগণকে ঘুষমুক্ত প্রশাসন উপহার দেবো। সরকারি সেবা হবে বিনামূল্যে, মানুষকে আর দালাল-ঘুষের চক্রে পড়তে হবে না।
এলাকার মানুষের ভোট ও আস্থা নিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করে তিনি চাঁদপুর সদর ও হাইমচরের উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবেন বলে জানান। বিশেষ করে জেলে সম্প্রদায়ের জন্যে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক ও কর্মমুখী করা এবং দরিদ্র মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।শাহজাহান মিয়া বলেন, আমার বাড়ি হাইমচরে হলেও শহরেও আরেকটি বাড়ি আছে। সে কারণে দু উপজেলাতেই মানুষের সঙ্গে আমার নিবিড় সম্পর্ক। তবে এতোটুকু নিশ্চিত করতে পারি, ঢাকা কিংবা দেশের বাইরে আমার কোনো বাড়ি নেই এবং ভবিষ্যতেও হবে না। ২০১৪ সালে সদর উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনে যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা আমার বড়ো প্রেরণা। এবারও আপনাদের সন্তান হিসেবে দোয়া ও সমর্থন চাই। ৭নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. আবুল হোসাইন, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মো. আবু হানিফ, ইউনিয়ন টিম সদস্য মো. মাঈনুদ্দিন, লতিফগঞ্জ ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আমির হোসেন ও সমাজসেবক মো. আবুল কালাম মিজি। সভা সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান। মতবিনিময় শেষে শাহজাহান মিয়া হাওলাদার বাজারে ব্যবসায়ী, পথচারী ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের নানা সমস্যা ও অভাব অভিযোগ শোনেন।








