বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৩৯

ফরিদগঞ্জে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সরঞ্জামাদি পৌঁছে গেছে

ফরিদগঞ্জ ব্যুরো।।
কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সরঞ্জামাদি পৌঁছে গেছে

কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের ১১৮টি কেন্দ্রে পৌঁছেছে ভোটগ্রহণের সকল সরঞ্জাম। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে উপজেলা পরিষদ থেকে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা ভোটগ্রহণের সরঞ্জামাদি নিয়ে কেন্দ্রের দিকে চলে যান। এদিকে ঝুঁকিপূর্ণ ৩৮ কেন্দ্রের জন্যে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন।

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ, নারী ও বয়োবৃদ্ধদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করলেও কাটেনি শঙ্কা। কারণ এবার এ আসনের নির্বাচনে শুরু থেকে প্রচার-প্রচারণায় ব্যাপকতা থাকলেও ছিলো সংহিংসতা। নির্বাচনকে ঘিরে ৫ স্তরের নিরাপত্তার চাদরে বেষ্টিত থাকবে ১১৮টি

ভোটকেন্দ্র। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্র সিসি ক্যামেরা দ্বারা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রিত থাকবে। সার্বিক নিরাপত্তায় থাকবে সেনাবহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। ৩ লাখ ৯১ হাজার ২৬৪ জন ভোটার ১১৮টি ভোট কেন্দ্রের ৭শ' ৭৩টি বুথে ভোট প্রয়োগ করবেন। ইতোমধ্যেই পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ৬৫১জন নারীসহ মোট ৯ হাজার ৩শ' ৬৭জন প্রবাসী ও সরকারি চাকুরিজীবী ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

এদিকে নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে ক্রমেই জটিল হচ্ছে নির্বাচনী সমীকরণ।

ভোটারদের কাছ থেকে পাওয়া অভিমত অনুযায়ী, জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসনটিতে ত্রিমুখী তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া গেছে। বিএনপি, বিএনপির বিদ্রোহী ও জামায়াত প্রার্থীর ত্রিমুখী লড়াইয়ে সামান্য ভোটের ব্যবধানে যে কেউ বিজয়ী হতে পারেন বলে ধারণা লোকজনের। বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা হলেও বিএনপির ভোট দু ভাগে বিভক্ত হওয়া এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রতি তরুণ সমাজ ও নারী ভোটারদের বিশেষ আকর্ষণ এই লড়াইকে জমিয়ে তুলেছে।

সহকারী রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেটু কুমার বড়ুয়া জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সামগ্রী পৌঁছেছে। নির্বাচনে ভোটাররা যেনো নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে এবং ভোটের আগে ও পরে সকল প্রকার নির্বাচনী সহিংসতার প্রতিরোধে ৩ প্লাটুন সেনাবাহিনী, ২ প্লাটুন বিজিবি, ১ প্লাটুন র‌্যাব এবং ২৯৮জন পুলিশ ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী নিয়োজিত করা হয়েছে। এছাড়াও ৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত থাকছেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়