প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৪
সৌদিতে শ্রমশক্তির বড়ো অংশ বাংলাদেশি, অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম Argaam এবং সৌদি আরবের সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা General Authority for Statistics-এর প্রকাশিত তথ্য একত্রে বিশ্লেষণ করলে দেশটির শ্রমবাজার ও জনসংখ্যার কাঠামো সম্পর্কে একটি স্পষ্ট চিত্র উঠে আসে। ২০২২ সালের আদমশুমারি এবং ২০২৫ সালের সর্বশেষ শ্রমবাজার তথ্য এই বাস্তবতাকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে। যেখানে দেশটির শ্রমবাজারে শতাধিক দেশের শ্রমিক উপস্থিত থাকলেও সংখ্যার বিচারে বাংলাদেশীদেরকেই সবার শীর্ষে দেখানো হয়েছে।
সৌদি আরবের শ্রমবাজারে সংখ্যার বিচারে বাংলাদেশী শ্রমিকদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি থাকলেও মর্যাদা ও পেশাগত অবস্থানের প্রশ্নে একটি বড়ো বিতর্ক রয়ে গেছে। এর ফলে বহু প্রবাসী বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম করেও প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক উন্নতি বা ব্যক্তিগত সফলতা অর্জনে ব্যর্থ হন। একই সঙ্গে এই সীমাবদ্ধতার কারণে দেশের সম্ভাব্য রেমিট্যান্স প্রবাহও পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়িত হয় না, যা সামগ্রিক অর্থনীতির জন্যেও একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই পরিস্থিতির মূল কারণগুলোর একটি হলো—বাংলাদেশ থেকে অধিকাংশ কর্মী পর্যাপ্ত শিক্ষা, কারিগরি দক্ষতা কিংবা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রশিক্ষণ ছাড়াই বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে যান। ফলে তারা মূলত অদক্ষ বা স্বল্পদক্ষ শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করতে বাধ্য হন। কর্মক্ষেত্রে তাদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রম থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় যোগ্যতার অভাবে তারা যথাযথ মর্যাদা ও ন্যায্য পারিশ্রমিক থেকে অনেক সময় বঞ্চিত হন।
২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, সৌদি আরবে বৈধ বিদেশি বাসিন্দার সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ ৮০ হাজার, যা মোট ৩ কোটি ২২ লাখ জনসংখ্যার প্রায় ৪১.৬ শতাংশ। অর্থাৎ, দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই বিদেশি, যা সৌদি আরবের অর্থনীতি ও শ্রমবাজারে প্রবাসীদের নির্ভরশীলতা স্পষ্ট করে। অন্যদিকে, GASTAT-এর ২০২৫ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে মোট কর্মরত মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ কোটি ৮২ লাখে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড়ো অংশ বেসরকারি খাতে নিয়োজিত, যার হার ৬৭.৪ শতাংশ।
এ বিপুল সংখ্যক শ্রমিকদের মধ্যে সরকারি খাতে কর্মরত রয়েছেন ৬.৫ শতাংশ, অন্যান্য বেসরকারি কার্যক্রমে ৩.৪ শতাংশ এবং গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছেন ২২.৭ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দেয় যে, সৌদি আরবের কর্মসংস্থানের মূল চালিকাশক্তি বেসরকারি খাত, যেখানে বিদেশি শ্রমিকদের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জনসংখ্যার লিঙ্গভিত্তিক বিশ্লেষণেও একটি সুস্পষ্ট বৈষম্য লক্ষ্য করা যায়। ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে Argaam জানিয়েছে, পুরুষ বাসিন্দার সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার, যা মোট জনসংখ্যার ৭৬.৫ শতাংশ। বিপরীতে নারী বাসিন্দার সংখ্যা প্রায় ৩১ লাখ ৪০ হাজার, যা মোটের ২৩.৫ শতাংশ। এই অসম অনুপাত মূলত শ্রমনির্ভর অভিবাসনের প্রতিফলন, যেখানে অধিকাংশ কর্মী পুরুষ।
বিদেশি নাগরিকদের জাতিগত গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সংখ্যার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশীরা। তাদের বৈধ সংখ্যা প্রায় ২১ লাখ ২০ হাজার, যা মোট বিদেশি বাসিন্দাদের ১৫.৮ শতাংশ। এরপরই রয়েছেন ভারতীয়রা, যাদের সংখ্যা প্রায় ১৮ লাখ ৮০ হাজার (১৪ শতাংশ)। শীর্ষ পাঁচে আরও রয়েছে পাকিস্তান, ইয়েমেন এবং মিশরের নাগরিকরা, যা সৌদি আরবের শ্রমবাজারে দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর শক্ত অবস্থানকে নির্দেশ করে।
সব মিলিয়ে, ২০২২ সালের জনসংখ্যা ও ২০২৫ সালের শ্রমবাজারের তথ্য একত্রে বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয় যে, সৌদি আরবের অর্থনৈতিক কাঠামোতে বিদেশি কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুমাত্রিক। অবকাঠামো উন্নয়ন, সেবা খাত, গৃহস্থালি কাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পেশায় প্রবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল রাখছে।
এমতাবস্থায় সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকদের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে প্রবাসীদের ভাষ্যে। তাদের দাবি, শুধুমাত্র অবৈধ বাংলাদেশি শ্রমিকের সংখ্যাই ১০ লাখের বেশি, যারা বছরের পর বছর—এমনকি অনেক ক্ষেত্রে যুগের অধিক সময়—এই দেশে অনিশ্চিত অবস্থায় বসবাস করছেন। রাজধানী রিয়াদ থেকে শুরু করে জেদ্দা, দাম্মাম, হাইল কিংবা উত্তর সীমান্তবর্তী অঞ্চল—সব জায়গাতেই এ ধরনের শ্রমিকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
এই শ্রমিকদের বড়ো একটি অংশ নানা কারণে অবৈধ হয়ে পড়েছেন। কারও কর্মচুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে বৈধতা নবায়ন করা হয়নি, কেউ নিয়োগকর্তার (কফিল) সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন, আবার কেউ দালালের প্রতারণার শিকার হয়ে বৈধ কাগজপত্র হারিয়েছেন। অনেকের বিরুদ্ধে আইনি মামলা থাকায় তারা চাইলেও দেশত্যাগ করতে পারছেন না। পাশাপাশি কাজ হারানোর ভয় এবং নতুন কাজ না পাওয়ার আশঙ্কাও তাদের অবৈধ অবস্থায় থেকে যাওয়ার একটি বড়ো কারণ।
এসব প্রবাসীর অনেকেই দেশে ফিরে যেতে না পারার পেছনে সামাজিক ও পারিবারিক বাস্তবতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অনেক প্রবাসী জানিয়েছেন, দেশে থাকা পরিবারের আর্থিক চাপ, ঋণের বোঝা কিংবা পারিবারিক অশান্তির কারণে তারা দেশে ফিরতে অনিচ্ছুক। কেউ কেউ আবার দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার ফলে দেশে ফিরে নতুন করে জীবন শুরু করার সাহস হারিয়ে ফেলেছেন। ফলে তারা ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিশ্চিত জীবনযাপন করেই সৌদি আরবে থেকে যাচ্ছেন।
প্রবাসীদের ভাষ্যমতে, দেশে থাকা স্বজনদের উচিত প্রবাসীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া এবং অযথা আর্থিক চাপ বা মানসিক চাপ সৃষ্টি না করা। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রত্যাশা ও পারিবারিক চাপ প্রবাসীদের ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে, যা তাদের অবৈধ অবস্থায় ঠেলে দেয়। তাই পরিবারগুলোর উচিত বাস্তবতা বোঝা, প্রবাসীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং তাদের মানসিকভাবে সমর্থন দেওয়া, যাতে তারা নিরাপদ ও সম্মানজনকভাবে জীবনযাপন করতে পারেন।
সৌদি আরবে যে পরিমাণ অবৈধ বাংলাদেশী শ্রমিক রয়েছে, তাদের নিরাপদ ও বৈধ কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা এখন জরুরি। বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে নিয়মিত মনিটরিং, বৈধ ভিসা নিশ্চিতকরণ এবং প্রবাসী শ্রমিকদের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এ সমস্যা মোকাবেলা করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও বৈধভাবে কাজের সুযোগ সৃষ্টি করলে তারা সৌদি শ্রমবাজারে নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে নিজেদের অবস্থান প্রতিষ্ঠা করতে পারবে বলে অনেক প্রবাসীর ধারণা।
বর্তমানে সৌদি আরবের কর্মসংস্থান খাত দ্রুত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশটির অর্থনীতি ক্রমশ প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক শিল্পের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি, প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা ও জ্বালানি সংশ্লিষ্ট খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। একই সঙ্গে ঐতিহ্যগত নিম্নদক্ষ কাজের পরিধি ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে এ ধরনের কাজের প্রয়োজনীয়তাও প্রায় বিলুপ্তির পথে।
এদিকে স্থানীয় নাগরিকরা এখন অনেক ক্ষেত্রে নিজের কাজ নিজেরাই সম্পন্ন করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন, যা শ্রমবাজারের ধরণকে আরও বদলে দিচ্ছে। যেসব খাতে এখনো কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু বাস্তবতায় দেখা যায়, সব ক্ষেত্রের জন্যে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও সক্ষমতার দিক থেকে অনেক বাংলাদেশী প্রবাসী পিছিয়ে রয়েছেন, ফলে তারা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যদি বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক মানের সনদ প্রদান এবং প্রবাসী শ্রমিকদের জন্যে কার্যকর তদারকি ও সহায়তা ব্যবস্থা জোরদার করতে পারে, তবে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, দালাল নির্ভরতা কমানো এবং সৌদি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধি করলে বাংলাদেশি শ্রমিকদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। এছাড়া ভাষাগত দক্ষতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং পেশাভিত্তিক বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে তারা উচ্চ বেতনের চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ পাবে এবং শ্রমবাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করতে সক্ষম হবে।
দেশটিতে থাকা প্রবাসীদের মতে, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও ফিলিপাইনের শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ, উন্নত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং শক্তিশালী কূটনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের কারণে সৌদি শ্রমবাজারে সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করেছে। এসব দেশের শ্রমিকরা নির্দিষ্ট কাজের জন্যে প্রশিক্ষিত হয়ে আসে এবং তাদের অধিকাংশের কাছে স্বীকৃত সনদপত্র থাকে, যা নিয়োগকর্তাদের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ায়।
বিশেষ করে ফিলিপাইনের শ্রমিকরা ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা ও পেশাদার আচরণের জন্যে বেশি বেতন ও ভালো কর্মপরিবেশ পেয়ে থাকে। একইভাবে ভারত ও পাকিস্তানের শ্রমিকরা প্রযুক্তিগত ও কারিগরি কাজে পারদর্শী হওয়ায় উচ্চ চাহিদাসম্পন্ন খাতে নিয়োজিত থাকে। ফলে দক্ষতা, প্রস্তুতি এবং রাষ্ট্রীয় সমন্বয়ের অভাবে বাংলাদেশি শ্রমিকরা এখনো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে থাকলেও, সঠিক পদক্ষেপ নিলে এই ব্যবধান কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন সৌদি আরবে থাকা প্রবাসী শ্রমিকরা।
সৌদি আরবে কাজের জন্যে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্যে ভাষাগত দক্ষতা এবং বাজারে চাহিদা থাকা পেশার জ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দেশটিতে সাধারণ দিনমজুরি বা নিম্নমানের কাজের সুযোগ এখন আগের মতো প্রসারিত নেই। বর্তমানে এমন পদগুলোতে অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞ শ্রমিকদের নিয়োগ বেশি হয়ে থাকে, ফলে নতুন আগ্রহীদের জন্যে সাফল্যের সম্ভাবনা সীমিত।
সৌদি আরবের চাকরির বাজারে সফল হতে হলে আগ্রহী প্রার্থীদের বিশেষ দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন। শুধুমাত্র দিনমজুরি বা কম দক্ষতার কাজের ওপর নির্ভর করলে দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী ও ভালো অবস্থান নিশ্চিত করা কঠিন। তাই প্রাসঙ্গিক দক্ষতা এবং ভাষার জ্ঞান থাকা ছাড়া দেশটিতে স্থায়ীভাবে ক্যারিয়ার গড়ে তোলা এখন চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যার সমাধানে প্রবাসী কল্যাণে রাষ্ট্রের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ সরকার এবং সৌদি কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে নিয়মিত সাধারণ ক্ষমা (অ্যামনেস্টি) ঘোষণা, আইনি সহায়তা প্রদান এবং নিরাপদে দেশে ফেরার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রবাসীদের সচেতন করতে দূতাবাসের কার্যক্রম আরও জোরদার করা দরকার, যাতে তারা প্রতারণার শিকার না হন এবং বৈধ উপায়ে কাজ করার গুরুত্ব বুঝতে পারেন।
মোহাম্মদ সানাউল হক : ফিচার লেখক।





