শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫, ২০:৪৬

পশ্চিম সকদীতে মাছ চাষকে কেন্দ্র করে হামলা ও লুটপাট

স্টাফ রিপোর্টার

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের পশ্চিম সকদী গ্রামে মাছ চাষাবাদকে কেন্দ্র করে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে চাঁদপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম সকদী গ্রামের মোস্তফা খানের ছেলে মো. কামরুল হাসান দীর্ঘদিন যাবত মাছের ঝিল ইজারা নিয়ে মাছ চাষাবাদ করে আসছেন। পার্শ্ববর্তী ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১ নং বালিথুবা ইউনিয়নের সেকদী গ্রামের মিজান শেখ, বেলায়েত খান, মাসুম হাজারী, এমরান হাজারী, খোকা ও মোস্তফা মিজি উশৃঙ্খল, বদমেজাজি, লাঠিয়াল ও খারাপ প্রকৃতির লোক। পশ্চিম সকদী গ্রামের কামরুল হাসানের ৩টি মাছের ঘের রয়েছে। তার মাছের ঘেরের সাথে মিজান শেখের ১টি মাছের ঘের রয়েছে। মিজান শেখ মাছ চাষাবাদ ও মাছের ঘেরের ওপর শত্রুতাবশত প্রায় সময় কামরুল হাসানকে হুমকি ধমকিসহ ক্ষতি করার চেষ্টা করে আসছে। মাছ চাষাবাদকে কেন্দ্র করে কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে হয়রানি করে আসছেন।

বুধবার (২৬ নভেম্বর ২০২৫) সকালে পূর্ব শক্রতার জের ধরে উল্লেখিতরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার ও আমার পরিবারের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় মোস্তফা খানকে কিল, ঘুষি লাথি মেরে নীলাফুলা জখম করে। এক পর্যায়ে কামরুল হাসানকে দা-চেনি নিয়ে দৌড়ে আসে। এ সুযোগে উল্লেখিত সন্ত্রাসীরা মাছের ঘেরের পানির মোটর ও মাছের ঘেরের জাল জোরপূর্বক চিনিয়ে নিয়ে যায়। যার ক্ষতির পরিমাণ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এমনকি কামরুল হাসানকে যেখানে পাবে সেখানেই হত্যা করার হুমকি দিয়ে যায়। বিষ প্রয়োগ করে মাছ মেরে ফেলবে বলে জানায়।

এ ব্যাপারে কামরুল হাসান বলেন, মাছের ঘের নিয়ে মিজান শেখ শক্রতা করে আসছে। আমার মাছের ঝিলের পানির মোটর ও জাল লুট করে নিয়ে যায়। আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়াসহ বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলার হুমকি দেয়।এমনকি অভিযোগে উল্লেখকারীরা ৮/১০ মিলে আমাকে মেরে ফেলার জন্যে দা চেনি নিয়ে দৌড়ে আসে। আমার ঝিলের পানির মোটর ও জাল জোরপূর্বক নিয়ে যায়। এতে আমার সাড়ে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এ বিষয়ে আমি প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়