মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ
  •   ১৬-২৫ মার্চ নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ থাকবে : নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

প্রকাশ : ০৩ মার্চ ২০২৬, ২১:০১

ফরিদগঞ্জ পৌর বাজার ও বাসস্ট্যান্ডের ইজারা সম্পন্ন

প্রবীর চক্রবর্তী।।
ফরিদগঞ্জ পৌর বাজার ও বাসস্ট্যান্ডের ইজারা সম্পন্ন

ফরিদগঞ্জ পৌর বাজার ও বাসস্ট্যান্ডের ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বাজার ও বাসস্ট্যান্ড উভয় ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ইজারা পেয়েছেন মজিবুর রহমান।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ ২০২৬) বিকেলে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা কার্যালয়ে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী টেন্ডার বাক্স উন্মুক্ত করেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সহায়ক কমিটির সদস্য ও ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হেলাল উদ্দিন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ সুফিয়ান খান এবং নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল কাদির।

টেন্ডার বাক্স খোলার পর দেখা যায়, বাজার ও বাসস্ট্যান্ড ইজারার জন্যে মোট ৬টি দরপত্র জমা পড়েছে। দরপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দেখা যায়, ফরিদগঞ্জ বাজারের জন্যে নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী ৩ লাখ টাকা এবং মজিবুর রহমান ২০ লাখ ৬৪ হাজার টাকার দরপত্র দাখিল করেন। এছাড়া মো. ইসমাইল হোসেন ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা উল্লেখ করলেও কোনো বিডি (ব্যাংক ড্রাফট) জমা দেননি। সরকারি দর ছিল ২০ লাখ ৬৩ হাজার ৮শ টাকা। ফলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মজিবুর রহমানকে প্রাথমিকভাবে বাজার ইজারাদার ঘোষণা করেন পৌর প্রশাসক।

অন্যদিকে, বাসস্ট্যান্ডের জন্যও তিনটি দরপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে মজিবুর রহমান ৩৩ লাখ ৩৬ হাজার টাকা এবং মো. নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী ৪ লাখ টাকার দরপত্র জমা দেন। মো. জাহিদুল ইসলাম ৩ লাখ টাকা উল্লেখ করলেও বিডিবিহীন দরপত্র জমা দেন। এখানেও সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মজিবুর রহমানকে ইজারাদার ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, ফরিদগঞ্জ বাজার ও বাসস্ট্যান্ড ইজারায় ৬টি দরপত্র জমা পড়েছিল। উভয় ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ইজারা পেয়েছেন মজিবুর রহমান। তার সকল কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে; সবকিছু সঠিক থাকলে তাকে চূড়ান্ত ও বৈধ ইজারাদার হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়