শনিবার, ০৫ এপ্রিল, ২০২৫  |   ৩৪ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাইমচরে মাটি বোঝাই বাল্কহেডসহ আটক ৯
  •   কচুয়ায় কৃষিজমির মাটি বিক্রি করার দায়ে ড্রেজার, ভেকু ও ট্রাক্টর বিকল
  •   কচুয়ায় খেলতে গিয়ে আগুনে ঝলসে গেছে শিশু সামিয়া
  •   কচুয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে যুবক শ্রীঘরে
  •   ১ হাজার ২৯৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড

প্রকাশ : ১৬ জুলাই ২০২১, ০৫:৪১

যানজটে বিরক্ত হয়ে কুমিরে ভরা নদীতে ঝাঁপ!

যানজটে বিরক্ত হয়ে কুমিরে ভরা নদীতে ঝাঁপ!
অনলাইন ডেস্ক

যানজটে বসে থাকতে কারই বা ভালো লাগে? কিন্তু ভালো না লাগলেও বসে থাকা ছাড়া তো আর উপায় নেই। চাইলেই গাড়ি নিয়ে উড়ে চলে যাওয়া যায় না কিংবা গাড়ি রেখে হাঁটা দেওয়া যায় না।যানজটে বিরক্ত হলেও বসেই থাকতে বাধ্য হন গাড়ির চালক আর যাত্রীরা। তবে যানজটে বিরক্ত হয়ে কুমিরে ভরা নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার নজির বোধহয় খুব বেশি নেই।

ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানার বাসিন্দা জিমি ইভান জেনিংস নামের ২৬ বছর বয়সী ওই যুবক দুই ঘণ্টা ধরে সড়ক দুর্ঘটনার কারণে যানজটে আটকে ছিলেন। এ সময় যানজটে বসে থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে পাশের নদীতে সাঁতার কাটার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ভাবেন কিছুক্ষণ সাঁতার কেটে আবার গাড়িতে ফিরে আসবেন। কিন্তু নদীতে ঝাঁপ দিতেই বাঁধে বিপত্তি। নদীটিতে যে কুমির আছে তা তিনি জানতেন না। তবে কুমির আক্রমণ না করলেও ঝাঁপ দেওয়ার সাথে সাথে তলিয়ে যেতে থাকেন তিনি। কোনোক্রমে ভেসে উঠে সাঁতার কেটে তীরে আসার চেষ্টা করেন। নিজের ফেসবুকে ওই অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জিমি লিখেছেন, আমার জীবনের সেরা সময় কাটাচ্ছিলাম। সবকিছু আমার মনের মতোই চলছিল। আমি অনেককে আগেও নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখেছি। তবে ঝাঁপ দেওয়ার পর মনে পড়েছিল এসব কেবল সিনেমাতেই দেখা যায়। তিনি লিখেছেন, ঝাঁপ দিয়ে পানিতে পড়ামাত্র আমার মুখে পানি ঢুকে যায়। আমি বাম হাতে ব্যথা পাই। সাঁতার কেটে তীরে আসার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু স্রোত অনেক তীব্র ছিল। দেড়ঘণ্টা পর আমি ক্লান্ত হয়ে যাই। আমার বাম হাত আসাড় হয়ে যায়। ডান হাত আর পা দিয়ে ভেসে ছিলাম। পুরোটা সময় জুড়েই প্রার্থনা করছিলাম। তবে শেষমেষ কোনরকমে তীরে এসে পৌঁছাতে সক্ষম হই। তবে এভাবে নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলার অপরাধে হাতে হাতকড়া উঠেছে তার। পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাকে। এদিকে, এভাবে সাঁতার কাটার শখ একেবারেই ঘুচে গেছে জিমির। আর জীবনেরও সাঁতার কাটবেন না বলে ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন তিনি।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়