প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৪, ০০:০০
হাসানাত রাজিবের কবিতা

দেখা দাও বারেবারে
মধ্য নিশীথের নীলে,
হিঙুল মেঘের কালে,
দেখা দাও তুমি বারেবারে স্বপন-সুরার ঘোরে।
কে তুমি, কেমন করে বন্দিনীর বেদনা আমার বুকে
চাপিয়ে দিয়ে উধাও হও কর্পূরের মতো?
তপ্তশ্বাস মাখা নিঃশ্বাসে কিছুই মনে হয় না।
বুকে মায়াবিনীর মায়াদণ্ড প্রবল দাবদাহে পুড়ছে।
এক টুকরো শুভ্রমেঘের আশায় ছাই হয়ে উড়ছে।
তুমি কেমন করে দেখা দাও বারেবারে?
নির্মেঘ চোখে অনন্তকাল বেঁচে থাকে মরুদ্যান।
আঁধারের সহচর হয়ে পথ খুঁজে ফিরি।
মৃতের আবার মৃত্যু কিসে?
সে যে চির মৃত্যুকুয়ার অবিরাম জলরাশি।
প্রাক্তন প্রেমিক
আমার ওই অতশত দরকার নেই।
বিরহ দিনে ব্যাধিগ্রস্ত মনে নিষ্পাপ পুষ্পমঞ্জরি এলিয়ে দিয়ে তুমি নীলাদ্রি হইয়ো।
তোমার যে ওষ্ঠদ্বয়ে প্রাক্তন প্রেমিকে আনন্দ নৃত্য করেছিল,
আমার পোড়ামুখো অদৃষ্ট সে ওষ্ঠদ্বয়ের শিশিরজলে ভিজিয়ে নিয়ো।
আমার অতশত দরকার নেই।
আমাবস্যা রজনীতে নিগূঢ় আঁধার তাড়িয়ে আমার কুড়েখানিতে হাসির বর্ষণ আনিয়ো।
তোমার রুপমোহিনীতে আমি চাই না পূর্ণিমা দুর্নিবার শশাঙ্ক ফিকে হয়ে পথ হাতড়ায়।
কোন এক ফাল্গুনীর রজনীতে ঝাউগাছের পত্রপল্লবের ফাঁকে ফাঁকে আলোকছটা চাই না আমি,
দুটো কথার মুহুর্মুহু উচ্চারণে বাঁধনহারা প্রেমিকের মতো প্রলয়োল্লাসে মেতে উঠলেই হলো।
যদি আমিও তোমার প্রাক্তন প্রেমিক হতে পারি!