শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য
ব্রেকিং নিউজ

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৩

চাঁদপুর বড় স্টেশনে ভয়াবহ ভাঙনের ২৫ বছরপূর্তি আজ

অনলাইন ডেস্ক
চাঁদপুর বড় স্টেশনে ভয়াবহ ভাঙনের ২৫ বছরপূর্তি আজ
সোহাঈদ খান জিয়া

চাঁদপুর বড় স্টেশনে স্মরণাতীতকালের ভয়াবহ ভাঙনের ২৫ বছরপূর্তি : স্মৃতির পাতায় ২০০১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর

চাঁদপুর বড় স্টেশনে স্মরণাতীতকালের ভয়াবহ ভাঙনের আজ ২৫ বছরপূর্তি। ২০০১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, বুধবার সূর্যোদয়ের প্রাক্কালে বড় স্টেশনে ভয়াল ভাঙন-বিপর্যয় শুরু হয়, যা চলে টানা ২২ ঘণ্টা। এতে রেলওয়ে স্টেশন, বিআইডব্লিউটিএ লঞ্চ টার্মিনাল ভবনের পশ্চিমাংশ, পন্টুনমুখী গ্যাংওয়ে, রেলওয়ের ওভারব্রিজ, রেলপথ, স্টিমারঘাট, এ ঘাটের সামনের ১২টি হোটেল-রেস্তোরাঁ ও স্টেশনারি দোকান, ট্রান্সফরমারসহ ৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি, ১টি বরফকল, ১০০টি মাছের আড়ত, হাজার হাজার কংক্রিটের ব্লক ও ৬টি বড় গাছ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এর ফলে বর্তমান মোলহেডের পূর্বাংশে অর্থাৎ নদীগর্ভে বিলীন হওয়া স্টেশন প্ল্যাটফর্মের সামনে বিশাল পুকুরের মতো পরিবেশ তৈরি হয়।

পরদিন তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুজন উপদেষ্টা, কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের জিওসি, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও রেলওয়ের শীর্ষস্থানীয় সকল কর্মকর্তাসহ অসংখ্য কর্মকর্তা পরিদর্শনে আসেন। পরে ড্রেজিং করে বালু দিয়ে বিশাল পুকুরের মতো স্থানটি ভরাট করা হয় এবং শহর রক্ষা বাঁধের বেষ্টনী দিয়ে বড় স্টেশনের বিলীন হয়ে যাওয়া মূল স্থাপনাস্থলসহ পশ্চিমাংশকে মোলহেডে পরিণত করা হয়।

আজ সেটি কালক্রমে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার অর্থায়নে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘রক্তধারা’ ও ইলিশ ভাস্কর্যসহ নানা স্থাপনায় আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বর্তমান মোলহেডের স্থানটি ১৯৭১ সালে বধ্যভূমি ছিলো বলে এখানে ‘রক্তধারা’ নির্মাণ করা হয়, যার ফলে এ স্থানটি আবেগজড়িত ও স্মৃতিকাতর পবিত্র স্থানে পরিণত হয়েছেড।

ডিসিকে /এমজেডএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়