প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ২০:২০
টেকসই মৎস্য খাত গঠনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ওপর ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির গুরুত্বারোপ

‘রূপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে জাতীয় মৎস্যপক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফিশারিজ বিভাগ এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের মৎস্য খাতের উন্নয়নে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা এবং বিশ্ববিদ্যালয় লেকে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করা হয়।
|আরো খবর
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবালের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফিশারিজ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. খন্দকার আনিসুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আমিরুল ইসলাম, কৃষিবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম এ রহিম এবং ঢাকা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. এসকে ফারজানা ইসলাম (উর্ধ্বতন সহকারী পরিচালক)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. লতিফুল ইসলাম বলেন, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেকসই সুনীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে মৎস্য খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সরকার এ খাতকে প্রাধান্য দিয়ে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, ফিশারিজ শিক্ষাকে কেবল তাত্ত্বিক জ্ঞানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে দক্ষ করে তুলতে হবে। আধুনিক ল্যাবরেটরি, এক্সপেরিমেন্টাল পন্ড ও প্রায়োগিক শিক্ষার মাধ্যমে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞানার্জনের ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও মৎস্যশিল্পের সঙ্গে ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল বলেন, বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একমাত্র ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতেই ‘ফিশারিজ’ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা দেওয়া হয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা, সুনীল অর্থনীতি এবং টেকসই উন্নয়নের গুরুত্ব বিবেচনা করেই এ বিভাগটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
উপাচার্য আরও জানান, বায়োফ্লক, অ্যাকুয়াপোনিক্স, আধুনিক মৎস্য চাষ পদ্ধতি, আইএমটিএ, রঙিন মাছের ব্যবসা, মুক্তা চাষ এবং ফিশ প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির মতো উদীয়মান খাতে তরুণদের নতুন নতুন উদ্যোক্তা হওয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এছাড়া সাধারণ বিসিএস, মৎস্য ক্যাডার, বিএফআরআই, বিএফডিসি, বিওআরআইসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, মৎস্য খামার, খাদ্য ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে ফিশারিজ গ্র্যাজুয়েটদের ক্যারিয়ার গঠনের বিস্তৃত ক্ষেত্র বিদ্যমান।
কর্মসূচির মাধ্যমে 'সমৃদ্ধ মৎস্য খাত, নিরাপদ খাদ্য, দক্ষ মানবসম্পদ ও টেকসই সুনীল অর্থনীতি' গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
ছবি ক্যাপশন:** জাতীয় মৎস্যপক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ফিশারিজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালি।








