প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৬, ১৫:১৩
যুগান্তরের ভুয়া ফটোকার্ড ব্যবহার করে ফরিদগঞ্জের গণমাধ্যমকর্মী আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

দেশের অন্যতম প্রধান দৈনিক যুগান্তরের প্রিন্ট পত্রিকার কপি নকল করে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করে একজন গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। গত ২৬ মে ২০২৬ তারিখে দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার অবিকল কপি তৈরি করে একটি চক্র। ওই চক্রটি ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য দৈনিক কালবেলা ও দৈনিক চাঁদপুর প্রতিদিনের উপজেলা প্রতিনিধি আবদুল কাদিরের বিরুদ্ধে বিকৃত ও ভিত্তিহীন তথ্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করে। যদিও বাস্তবে গত ২৬মে যুগান্তর পত্রিকায় এই ধরনের কোনো সংবাদ প্রকাশিত হয়নি বলে যুগান্তর কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। ইতোমধ্যেই গণমাধ্যমকর্মী আব্দুল কাদির সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করেছেন। স্থানীয় ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পত্রিকার নাম ব্যবহার করে ভুয়া ফটোকার্ড ব্যবহার করে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে।
প্রেসক্লাব সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ফরহাদ এক বিবৃতিতে বলেন, সংবাদ বিষয়ে কেউ যদি ক্ষুব্ধ হন তাহলে তার প্রেস কাউন্সিলে যাবার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি ফরিদগঞ্জের বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফাতেমা বেগমের পরিবর্তে তার ছেলে সদ্য দাখিল পাস করা মিরাজুন্নবী সিয়াম শ্রেণী কক্ষে পাঠদান করে এমন তথ্য-প্রমাণ আমাদের ক'জন সাংবাদিক সংগ্রহ করে। শিক্ষিকার পরিবর্তে ছেলেকে দিয়ে পাঠদানের বিষয়ে তথ্য নিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ফারহানা আক্তার, সহকারী শিক্ষা অফিসার আফতাবুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা অফিসার শিরিন সুলতানার সাথে যোগাযোগ করলে অসংগতি পরিলক্ষিত হয়। ফলে স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদমাধ্যমে সংবাদটি প্রচার হবার পর প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করলে গত ১২ মে বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ফাতেমা বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করে, যা গণমাধ্যমকর্মীদের সংবাদের সত্যতা প্রমাণ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শিক্ষিকার পরিবার প্রেসক্লাবের সদস্য ও কালবেলা প্রতিনিধি আব্দুল কাদিরের নামে ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার শুরু করেছে। ভুয়া অনলাইন পোর্টাল ও দৈনিক যুগান্তরের ভুয়া ফটোকার্ড ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা অনৈতিক ও সাইবার ক্রাইম। সর্বশেষ আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে থানায় ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক তথ্য দিয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করবে।
এ ব্যাপারে কালবেলা প্রতিনিধি আব্দুল কাদির জানান, ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত। কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। তাছাড়া আমিসহ ৪জন গণমাধ্যমকর্মী ওই তথ্য সংগ্রহে গিয়েছি। আমাদের কাছে সকল তথ্য-প্রমাণ রয়েছে। মূলত একটি প্রতিক্রিয়াশীল চক্র উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাকে ঘায়েল করতে উঠেপড়ে লেগেছে।







