প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৯:৪৯
ইউএনওর উপস্থিতি টের পেয়ে উধাও কয়েকশ'মোটরসাইকেল!

সকাল থেকে শাহরাস্তি উপজেলার মেহের এলাকায় অবস্থিত হান্নান ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহ শুরু হয়। তেল সরবরাহের সংবাদ শুনে প্রায় হাজার খানেক মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে যায়। সময়ের সাথে সাথে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেলের লাইন দীর্ঘ হতে থাকে। ফিলিং স্টেশনে শাহরাস্তি থানা পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয় কর্তৃপক্ষের। স্বয়ং ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী আ. হান্নান নিজেই দাঁড়িয়ে থেকে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যান। দুপুর ২ টায় ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে আসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজিয়া হোসেন। তিনি এ সময় মোটরসাইকেলের
কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে শুরু করেন। নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে মুহূর্তের মধ্যেই উধাও হয়ে যায় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত মোটরসাইকেল। ইউএনওর উপস্থিতিতে যাদের কাগজপত্র সঠিক রয়েছে তারাই এগিয়ে আসেন। তবে কাগজপত্র ঠিক না থাকায় বেশ কিছু মোটরসাইকেল খালি হাতে ফিরে যেতে হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা উপস্থিত থাকার পর মজুদের পরিমাণ নির্ণয় করে সন্তোষ প্রকাশ করেন নাজিয়া হোসেন।
নির্বাহী কর্মকর্তা চলে যাওয়ার পর আবারো মুহূর্তের মধ্যে চলে যাওয়া মোটরসাইকেলগুলো জড় হতে শুরু করে। এ সময় বিশৃঙ্খলাজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী আ. হান্নান জানান, এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের পক্ষে অসম্ভব।মোটরসাইকেলের
কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা আমাদের কাজ নয়। আমরা সঠিকভাবে তেল সরবরাহের জন্যে প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি। এ স্টেশনে তেল প্রাপ্তি সাপেক্ষে সবটুকু গ্রাহকদের মাঝে সরবরাহ করা হয়। যতক্ষণ তেল আছে ততক্ষণ গ্রাহক সংগ্রহ করে থাকে।








