প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২০:১৭
রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার নাগালে রাখুন
--------মাওলানা মাকসুদুর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান বলেছেন, তাকওয়া অর্জন ও আত্মশুদ্ধি অর্জনের মাস হলো রমজান। রমজান মাস মুমিনের জন্যে সুসংবাদ বয়ে আনে। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো, রমজান আসলে মানুষের মধ্যে এক ধরনের হাহাকার, দুঃখ-কষ্টের সীমা থাকে না। পৃথিবীর দেশে দেশে রমজান আসলে নিত্যপণ্যের দাম কমিয়ে দেয়া হয়। বাজার ব্যবস্থা কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কিন্তু ব্যতিক্রম হলো বাংলাদেশ। রোজা আসার সাথে সাথে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম হু হু করে বাড়িয়ে দেয়া হয়। সিন্ডিকেটেরে মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজার ব্যবস্থা অস্থির করে ফেলা হয়। তিনি সরকারের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, রমজানে বাজার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হলে সরকার বেকায়দায় পড়বে, যা আমাদের প্রত্যাশা নয়।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) বিকেলে মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে ও রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগালে রাখার দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর শহর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংগঠনের শহর সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে মিছিলপূর্ব সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাওলানা গাজী মুহাম্মদ হানিফ, কেএম ইয়াসিন রাশেদ সানী, শাহজামাল গাজী সোহাগ, মাওলানা হেলাল আহমাদ, আবু বকর সিদ্দীক, ডিএম ফয়সাল, আল-আমিন, মুহাম্মদ শরীফ মৃধা প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, কুরআন নাজিলের মাস রমাজানে কুরআনবিরোধী সকল অপকর্ম বন্ধ করতে হবে। সুদ, ঘুষ, জ্বিনা, ব্যভিচার বন্ধে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অশ্লীলতা, বেহায়াপনা ও পর্নোগ্রাফি বন্ধ করতে হবে। দিনের বেলা হোটেল, রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখতে হবে। মজুতদার, মুনাফাখোরদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে হবে। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। রমজানে নিত্যপণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার নাগালে রাখতে হবে।
সমাবেশ শেষে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে বিরাট র্যালি শপথ চত্বর থেকে শুরু হয়ে হকার্স মার্কেট হয়ে হাসান আলী মাঠের সামনে এসে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।