প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ২৩:৪৭
আফ্রিকার অন্যতম বৃহৎ ‘মসজিদ মিশর আল-কাবীর’ যা হারামাইন শারীফাইনের পর আয়তনে বিশ্বে তৃতীয়

মিশরের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নিমন্ত্রণে ‘মারকাজুস-সুন্নাহ একাডেমি বাংলাদেশ’র আয়োজনে আফ্রিকার অন্যতম বৃহৎ ও দৃষ্টিনন্দন মসজিদ ‘মসজিদ মিশর আল-কাবীর’ পরিদর্শনে গিয়েছে একটি গবেষক টিম। যেই টিমের অন্যতম সদস্য এই প্রতিবেদক, চাঁদপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ দাসদী এলাকার কাজী শামছুদ্দিন। শিক্ষামূলক ও ঐতিহাসিক এই রেহলাটিতে অংশগ্রহণকারীরা মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী, ইসলামী ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক সেন্টারসমূহ ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে জানা যায়, হারামাইন-শরীফাইনের (বায়তুল্লাহ শরীফ ও মসজিদে নববী) পর আয়তনের দিক থেকে ‘মসজিদ মিশর আল-কাবীর’ বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম মসজিদ হিসেবে পরিচিত। মসজিদটি শুধু ইবাদতের জন্যে নয়, বরং এটি মিশরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ইসলামী সভ্যতার এক অনন্য প্রতিচ্ছবি। মসজিদটি মিশরের নতুন রাজধানী ‘নিউ কায়রো’তে অবস্থিত। চতুর্দিক থেকে মসজিদটির আয়তন প্রায় ৪ লাখ ৭৬ হাজার মিটার। মসজিদটিতে একসাথে ১ লাখ ৩৭ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারে।
মসজিদটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকগুলোর মধ্যে একটি হলো-- পাথরে নকশাকৃত সম্পূর্ণ ৩০ পারা কুরআনুল কারীম, যা ৩০টি পৃথক পৃথক কক্ষে সুসজ্জিত করা হয়েছে। এছাড়া সেখানে সংরক্ষিত রয়েছে প্রায় ১৪২০ বছর পূর্বে হযরত ওসমান রাদিয়াল্লাহু আনহু-এঁর সংকলিত হরিণের চামড়ায় খত্তে কূফীতে লিখিত ঐতিহাসিক কুরআনের একটি কপি, যার ওজন প্রায় ৮০ কেজি বলে জানানো হয়।
রেহলাটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন মিশর ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি ডক্টর আহমদ নববী আজহারী হাফিযাহুল্লাহ।
তিনি উপস্থিত সকলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ইসলামি সংস্কৃতি ও সভ্যতা চর্চায় সবার আগে মিশর এবং সেক্ষেত্রে বাকিরা সর্বদা মিশরকে অনুসরণ করে।
সবশেষে অংশগ্রহণকারীরা এ ধরনের আয়োজনের জন্যে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বারবার এমন আয়োজন হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।








