প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬, ০০:৩৬
চোখ জুড়ানো শতবর্ষী হাজী মরহম আলী খান জামে মসজিদ

২০০ বছর পূর্বে ঐতিহ্যবাহী রূপসায় ‘মসজিদে নূর’ জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠার প্রায় ১০০ বছর পর ওই মসজিদের আদলে উপজেলায় আরো ৪টি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে ১৪নং ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের পোঁয়া গ্রামে নির্মাণ করা হয় হাজী মরহম আলী খান জামে মসজিদটি। হাজী মরহম আলী খান ওয়াকফ এস্টেটের অধীনে মসজিদটি পরিচালিত হয়ে আসছে। মরহুম হাজী মরহম আলী ৫ একর ১০ শতাংশ সম্পত্তি মসজিদের নামে লিখে দেন।
|আরো খবর
১৩২৪ বঙ্গাব্দে কারুকার্য খচিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদের আকার ছোট হলেও সৌন্দর্যের কমতি নেই। মসজিদের বয়স ১০৮ বছরে হলেও শুরুর কারুকার্য নষ্ট করেনি পরবর্তী প্রজন্ম। রং পরিবর্তন হলেও নকশা পরিবর্তন হয়নি। মসজিদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজ করা হয়েছে মূল মসজিদ ঠিক রেখে। ১০০ বছর পূর্বে যে মসজিদগুলো নির্মাণ করা হয়েছে, বিশেষ করে তিন গম্বুজ বিশিষ্ট ৪টি এবং ১ গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ; সেসব মসজিদে রড এবং সিমেন্টের ব্যবহার হয়নি। রড সিমেন্টবিহীন মসজিদগুলো দাঁড়িয়ে আছে শত বছরের উপরে। ইটের গাঁথুনি হয়েছে চুন সুরকি দিয়ে।
বর্তমানে মসজিদটির মোতওয়াল্লির দায়িত্ব পালন করছেন লাউতলী ডা. রশিদ আহম্মেদ স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ উল্লাহ খান। মূল মসজিদের ভেতরে মুসল্লিদের ধারণ ক্ষমতা ১৬০-৭০ জন। তবে জুমার নামাজে হয় প্রায় ৩০০ জন। মসজিদের পেশ ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন মাওলানা মুখলেছুর রহমান। খতিবের দায়িত্ব পালন করছেন মাওলানা জাফর।
ডিসিকে /এমজেডএইচ






