প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৩:০৪
দেবপুর দরবার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবীতে জশনে জুলুস উদযাপন

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে চাঁদপুর সদর উপজেলার দেবপুর দরবার শরীফে জশনে জুলুছ বের হয়েছে। শনিবার (৩০ আগস্ট ২০২৫) সকালে সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের দেবপুর বাগে গাউছিয়া খানকা শরিফ প্রাঙ্গণ থেকে স্বাগত র্যালিটি বের হয়। র্যালিটি চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়ক ও ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দরবার শরীফের সামনে এসে শেষ হয়। জশনে জুলুছে সভাপতিত্ব করেন দেবপুর দরবার শরীফের পীর আল্লামা এমদাদুল হক। জুলুছের শেষে দরবার শরীফের সম্মুখে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন দেবপুর দরবার শরীফের পীর মুফতি আল্লামা নূর মোহাম্মদ আরেফিন। তিনি বলেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) হচ্ছে বিশ্ববাসীর জন্যে একটি রহমত। এজন্যে আল্লাহর রহমত নবীকে পেয়ে আমরা খুশি উদযাপন করি। আমাদের দেশে বিভিন্ন ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্মদিন পালন করা হয়। যারা নবীর জন্মদিন পালনে বিরুদ্ধে করে তারা ইসলামের বেঈমান। জশনে জুলুশ মানে আনন্দযাত্রা। রাসূলে পাকের শুভাগমনকে উপলক্ষ করে আল্লাহর নির্দেশে খুশি উদযাপন করি। সকল ইবাদতের শ্রেষ্ঠ ইবাদত নবীর আগমনে খুশি উদযাপন করা।
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীতে অন্য কোনো ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা মানবতার শিক্ষা দেননি। আমাদের নবীজী মানবতার শিক্ষা দিয়েছেন। যারা অন্য ধর্মের মানুষের ওপর আঘাত করবে তাদের কেয়ামতের দিন নবীজী সুপারিশ করবেন না। সকল ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে বসবাস করবে, তাদের ধর্ম তারা পালন করবে। অন্য কোনো ধর্মের মানুষের হৃদয়ে আঘাত করার অধিকার ইসলাম কাউকে দেয়নি। যাদের অন্তরে নবীর প্রতি প্রেম-ভালোবাসা নেই, তাদের মাঝে মানবতা কখনো স্থান পায় না। এ সময় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. দ্বীন ইসলাম, মাও. সালাউদ্দিন আল ফারাবী, কামরাঙ্গা মসজিদের ইমাম মাও. এমরান হোসেন, রামপুর গাউছিয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম হাফেজ মাওলানা আব্দুর রহমান ত্বোহা, মাওলানা সাদেক রেজা, মাওলানা ইসমাইল হোসেন আল কাদেরী, মাওলানা সাঈদ আহমেদ সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। পরে দেবপুর বাগে গাউছিয়া খানকাশরিফে মিলাদ-কিয়াম, দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।