মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬
জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্যসারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয় অন্যান্য

প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৬, ১৮:০৪

কচুয়ার সৌদি প্রবাসী হেলালের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা, জেল হাজতে প্রেরণ

মো. নাছির উদ্দিন।।
কচুয়ার সৌদি প্রবাসী হেলালের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা, জেল হাজতে প্রেরণ

কচুয়া উপজেলার ৩নং বিতারা ইউনিয়নের মাঝিগাছা হাজী বাড়ির সৌদি প্রবাসী হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রবাসে নেওয়ার নাম করে অর্থ আত্মসাতের মামলা করেছেন নাজমুল হাসান সরকার। বিজ্ঞ আদালত গেলো বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) পুনরায় তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, রোববার (১৯ এপ্রিল ২০২৬) রাতে ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে কচুয়া থানা পুলিশের এসআই মফিজুল ইসলাম তাকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন। পরদিন সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) হেলাল ২ হাজার টাকা মূল্যের বন্ডে পাসপোর্টের মূল কপি আদালতে দাখিল সাপেক্ষে পরবর্তী ধার্য তারিখ পর্যন্ত একজন স্থানীয় জামিনদার ও নিযুক্ত আইনজীবীর জিম্মায় বিজ্ঞ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিনে এসে বিগত রোববার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) কাচিয়ারা গ্রামের আরিফের মোড়ে বাদী নাজমুল হাসান সরকারকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্যে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ এবং যে কোনো ধরনের ক্ষতি করবে ও টাকা দেবে না বলে হুমকি-ধমকি দেয়। পরে বাদী নাজমুল হাসান সরকার মতলব দক্ষিণ থানায় শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) নিরাপত্তার কারণে সাধারণ ডায়েরি করেন।

নাজমুল হাসান সরকার জানান, হেলাল উদ্দিন সম্পর্কে আমার আপন মামা হয়। আমার শ্যালক শরীফুল ইসলামকে সৌদি আরব নেওয়ার নাম করে আমাদের বাসায় এসে আবাসিক হোটেলের ভালো ভিসা আছে বলে জানায়। বিদেশে যেতে আবাসিক হোটেলের ভিসা, বিমান ভাড়া, মেডিকেল খরচ, থাকা-খাওয়া ও বেতন ৬৪ হাজার প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন হেলাল উদ্দিন। তার কথা মতো ভিসা বাবদ ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা নারায়ণগঞ্জের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে (০১০০১২৭৭৮৪০৩০) ২০২৪ সালের ২০ মার্চ ১ লাখ টাকা, ২৭ মার্চ ৪০ হাজার টাকা, ২ এপ্রিল ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ২৩ মে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা, ১২ জুন ১ লাখ টাকাসহ মোট ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা ভিসা বাবদ প্রদান করা হয়। হেলাল উদ্দিন আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে উক্ত ০১৮৩১২৬৭৭৯৮ নম্বরে ৫০ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়াও নগদে আরও ১ লাখ টাকা প্রদান করি। টাকা নেওয়ার পরও আমার শ্যালককে সৌদি আরব নেওয়া হয়নি। আবাসিক হোটেলের কথা বলে তারা একটি ভুয়া সাপ্লাই ভিসা প্রদান করে। এতে আমি ও আমার শ্যালকের পরিবার ক্ষতির সম্মুখীন হই। আমি হেলালের স্ত্রী আসমার কাছ থেকে টাকা ফেরত চাইলে ‘দেবো, দিচ্ছি’ বলে টালবাহানা শুরু করে। পরে আমি ২০২৫ সালের ২১ জুলাই বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করি। মামলা নং- সিআর-৩১৩। বিজ্ঞ আদালত বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্যে জেলা গোয়েন্দা শাখায় প্রেরণ করে। জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিরস্ত্র) মো. রাকিব উদ্দিন ভূইয়া ২০২৫ সালের ২১ অক্টোবর অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করেন।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়