বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১, ৮ শাওয়াল ১৪৪৫  |   ২৭ °সে
আজকের পত্রিকা জাতীয়আন্তর্জাতিকরাজনীতিখেলাধুলাবিনোদনঅর্থনীতিশিক্ষাস্বাস্থ্য সারাদেশ ফিচার সম্পাদকীয়
ব্রেকিং নিউজ
  •   হাজীগঞ্জে আগুনে পুড়ে ছাই ১০ পরিবারের ঈদ আনন্দ

প্রকাশ : ১৩ মার্চ ২০২৪, ২২:০৮

প্রেমিকের সাথে নববধূ উধাও : শ্বশুর বাড়িতে স্বামীর আত্মহত্যা

গোলাম মোস্তফা
প্রেমিকের সাথে নববধূ উধাও : শ্বশুর বাড়িতে স্বামীর আত্মহত্যা

প্রেমের টানে প্রেমিকের সাথে নববধূ চলে যাওয়ার খবর শুনে শ্বশুর বাড়িতেই প্রাণ দিলেন নববধূর স্বামী ইবাদ খান। ঘটনাটি ঘটেছে চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া রোডের নববধূর বাবার ভাড়া বাসায়।

জানা যায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের আলগী পাঁচগাঁও এলাকার খান বাড়ির খোরশেদ আলম খানের একমাত্র ছেলে ইবাদ খানের সাথে পারিবারিকভাবে গত ৮ মার্চ চাঁদপুর শহরের কোড়ালিয়া রোডের বিআইডব্লিউটিএ’র চাঁদপুর শাখার পরিদর্শক পাইলট দিদারুল আলমের মেয়ে খাদিজা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের রাতেই অর্থাৎ বাসরঘরে স্বামী ইবাদ খানকে কাছে আসতে দেয়নি নববধূ খাদিজা আক্তার। যা পরদিন সকালেই তার মা সুলতানা বেগমকে জানায় ইবাদ খান। তার মা সব ঠিক হয়ে যাবে বলে ইবাদকে ধৈর্য ধরে থাকতে বলেন। কিন্তু একই ঘটনা ঘটে পরবর্তী দিনগুলোতে। গত সোমবার (১১ মার্চ) নববধূ খাদিজা আক্তার স্বামীর বাড়িতে আসার কথা থাকলেও সে অসুস্থ দাবি করে পরদিন মঙ্গলবার আসবে বলে জানায়। কিন্তু সোমবার রাতেই সে একটি চিঠি লিখে তার প্রেমিকের কাছে চলে যায়।

এ খবর পেয়ে ইবাদ খান মঙ্গলবার (১২ মার্চ) তার শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে বাবা-মাকে বিষয়টি অবগত করে। এদিন বিকেলে ইবাদের বাবা খোরশেদ আলম খান ও মা সুলতানা বেগম তার শ্বশুর বাড়িতে যান। পরে খাদিজার বাবা ইবাদের বাবাকে উভয় পক্ষ থানায় গিয়ে অভিযোগ করার জন্যে বলেন। এ সময় ইবাদ খান অন্য কক্ষে ছিলেন। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে হঠাৎ চেঁচামেচির শব্দ শুনে গিয়ে দেখে ইবাদ বিষ খেয়ে ছটফট করছে। হাসপাতালে নেয়ার আগেই ইবাদ মারা যায় বলে মা সুলতানা বেগম জানান। ময়নাতদন্ত শেষে বুধবার (১৩ মার্চ) বাদ আসর জানাজা শেষে নিজ বাড়ির কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় নববধূ খাদিজা আক্তারের উপযুক্ত বিচার চেয়েছেন ইবাদ খানের পরিবারসহ এলাকাবাসী।

উল্লেখ্য, নিহত ইবাদ খান চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য সুলতানা বেগম ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম খানের ছেলে। সে পেশায় একটি প্রাইভেট হাসপাতালের মার্কেটিংয়ে কাজ করতো। দুই ভাই-বোনের মধ্যে ইবাদ সবার বড়।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়