প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২৪, ০০:০০
নিষ্ঠাবান দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ শরীফুল ইসলাম
শ্রদ্ধেয় প্রধান শিক্ষক ও সহকর্মীদের নিয়ে বিদ্যালয়ে ডিবেট ক্লাব করেছি

মোঃ শরীফুল ইসলাম। হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি তাঁর বিদ্যালয়ের বিতর্ক দল নিয়ে খুবই আন্তরিকভাবে কাজ করেন। সেজন্যে পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতার মুখপত্র 'বিতর্কায়নে'র পক্ষ থেকে তাঁর সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। তিনি তিনটি প্রশ্নের লিখিত যে জবাব দেন, নি¤েœ তা পত্রস্থ করা হলো :
বিতর্কায়ন : 'যে আসে বিতর্কে সে হারে না'--এ কথার সাথে কি একমত?
মোঃ শরীফুল ইসলাম : আমি সম্পূর্ণ একমত। বিতর্ক তথা যৌক্তিক কথা বলা একটি শিল্প। যার মাধ্যমে একজন বিতার্কিক তার তথ্যগুলোকে যুক্তির মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারেন।
বিতর্কায়ন : পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্কে আপনার অভিজ্ঞতা কী?
মোঃ শরীফুল ইসলাম : আলহামদুলিল্লাহ। পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক প্রতিযোগিতার সাথে আমি ২০১২ সাল থেকে সম্পৃক্ত। ওই সময় আমি হাজীগঞ্জের প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত রাজারগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে কর্মরত ছিলাম। তখন বিদ্যালয়টির বিতর্ক দল নিয়ে আমার পথচলা শুরু। ২০১৪ সালে একই পদে যোগদান করি বলাখাল চন্দ্রবান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। তারপর এই বিদ্যালয়ের বিতার্কিকদের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করে এখন পর্যন্ত আছি। আমি পাঞ্জেরী-চাঁদপুর কণ্ঠ বিতর্ক পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
বিতর্কায়ন : বিতর্ক নিয়ে কতোদূর যেতে চান?
মোঃ শরীফুল ইসলাম : ছাত্রজীবনে বিতর্ক করার সুযোগ হয়নি। তবে শিক্ষকতা পেশায় এসে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। আমি আমার বিদ্যালয়ের শ্রদ্ধেয় প্রধান শিক্ষক ও সহকর্মীদের নিয়ে ডিবেট ক্লাব করেছি, যেন আমার শিক্ষার্থীরা যুক্তির মাধ্যমে কথা উপস্থাপনায় পারদর্শী হয়। যতোদিন সুযোগ পাবো, ততোদিন বিতর্ক নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে ইনশাল্লাহ--আল্লাহতা'লা যদি আমাকে সুস্থ রাখেন।